শিরোনাম
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেন
down of head

চমেকে এখনও চিকিৎসাধীন ৫৪ জন, অধিকাংশের চোখে সমস্যা

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের মধ্যে ৫৪ জন এখনও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অধিকাংশের চোখে সমস্যা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অগ্নিকাণ্ডে আহতদের একজন নগরীর দক্ষিণ হালিশহর এলাকার মো. রাজু (৩৬)। দুর্ঘটনার পর তিনি ভালো দেখতে পাচ্ছেন না। দুই পা’সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এখনও ক্ষতচিহ্ন রয়েছে।

হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বি-২১ নম্বর সিটে চিকিৎসাধীন রাজু বলেন, ‘আমি বিএম কনটেইনার ডিপোর ট্রান্সপোর্ট সুপারভাইজার। ৪ জুন আগুন লাগার পর লোকজনকে সরানোর কাজ করছিলাম। হঠাৎ বিস্ফোরণে আহত হয়েছি। কীভাবে কী হয়ে গেলো কিছুই বুঝতে পারলাম না। জ্ঞান ফিরে দেখি, আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি। এরপর থেকে চোখে ভালো দেখতে পারছি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বৃদ্ধ মা-বাবা আছেন। পুরো পরিবার আমার উপার্জনে চলে। কবে পুরোপুরি সুস্থ হবো, বুঝতে পারছি না।’

শনিবার (১১ জুন) সকালে চমেক হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে দেখা গেছে, অগ্নিকাণ্ডে আহত ২৩ জন এখনও এই ওয়ার্ডের বিভিন্ন বেডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন নুর মোহাম্মদ (১৯)। তিনি ভোলার লালমোহন উপজেলার কুমারখারী এলাকার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর থেকে চোখে ভালোভাবে দেখতে পারছি না। হাত-পা’সহ বিভিন্ন স্থানে স্থানে এখনও ব্যান্ডেজ। এভাবে আর কতদিন থাকতে হবে জানি না।’

২৮ নম্বর সিটে ওমর ফারুক, ৫ নম্বর সিটের রজ্জক মন্ডল ও ২১ নম্বর সিটে জাহাঙ্গীর আলম চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রত্যেকের অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি আছে চোখের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহতদের মধ্যে ৫৪ জন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ২৩, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৯, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ৮, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে ১ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে দুই জন।

এছাড়া সিএমএইচে ১৫ জন, শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ২০ জন, পার্ক ভিউ হাসপাতালে ১৫ জন, মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ১ জন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, জেনারেল হাসপাতালে ১ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৪ জন, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ১ জন ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে ১ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

চমেক হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রধান প্রফেসর তনুজা তাজনীন বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের মধ্যে যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে, তাদের অধিকাংশরেই চোখে সমস্যা। কয়েকজনের অবস্থা এখনও গুরুতর। কয়েকজনের চোখ ঘোলাটে হয়ে যেতে পারে। তবে অন্যদের অবস্থা দিন দিন উন্নতির দিকে।’

সম্পর্কিত খবর