শিরোনাম
icon ২০ কোটি টাকা বীমা দাবি পরিশোধ করবে আইডিআরএ icon কম‌লো সোনার দাম icon একদিনেই ট্রিলিয়ন ডলার উধাও মার্কিন বাজারে icon হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান icon শীতের সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে বাড়তি খরচ icon যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমল ৪.৫ শতাংশ icon ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা icon ৯ নভেম্বর বসছে মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভ icon হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৬ icon প্রিমিয়াম জালিয়াতি, কার্গো বীমায় নিষিদ্ধ বিজিআইসি icon সাবেক মন্ত্রীসহ শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে শাহজিবাজার পাওয়ার icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে জাহিন স্পিনিং icon দরপতনের শীর্ষে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স icon চুলের সাজে তরুণীর রূপে পূর্ণিমা icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৫৯৬ icon যেসব এলাকায় জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির icon শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস নয়: হুমায়ুন কবির icon ৩ মাসের জন্য বন্ধ গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবসা icon দুলামিয়া কটনের পর্ষদ সভা ১১ নভেম্বর icon ইন্ট্রাকোর পর্ষদ সভার নতুন তারিখ ১০ নভেম্বর icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৬৪৫ কোটি টাকা icon ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ icon আশুলিয়ায় ৩৫ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
down of head

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করেছে পর্তুগাল

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে পর্তুগাল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চতুর্থ দেশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিল দেশটি। পরিবেশকর্মীরা দেশটির এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে দেশের সর্বশেষ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে গাছ পোড়ানোর সম্ভাব্য রূপান্তর নিয়ে সমালোচনা করছেন তারা। খবর এপি।

গত সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে পর্তুগিজ রাজধানী লিসবনের ১৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত পেগো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয়া হয়। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে বেলজিয়াম ২০১৬ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেয়। গত বছর অস্ট্রিয়া ও সুইডেনও এ পদক্ষেপ নেয়। সবশেষ চতুর্থ দেশ হিসেবে পর্তুগালও একই পথে হাঁটল।

পতুর্গালে কয়লা, জ্বালানি তেল বা গ্যাসের নিজস্ব কোনো উৎস নেই। চাহিদার পুরোটাই আমদানি করা হয়। সাম্প্রতিক দশকগুলোয় পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে দেশটি।

জলবায়ু সংস্থা ইউরোপ বিয়ন্ড কোলের ক্যাম্পেইন পরিচালক ক্যাথরিন গুটম্যান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জনসাধারণের আকাঙ্ক্ষা ইউরোপজুড়ে দ্রুত কয়লার ব্যবহার বন্ধে উৎসাহিত করছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ইউরোপে এ জ্বালানির ব্যবহার বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

এক বিবৃতিতে গুটম্যান বলেন, এখন চ্যালেঞ্জ হলো বন্ধ হওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় জীবাশ্ম গ্যাস বা টেকসই বায়োম্যাস দিয়ে কয়লা প্রতিস্থাপনের মতো ভুল না করার বিষয়টি নিশ্চিত করা।

পর্তুগিজ পরিবেশ সংস্থা জিরোর প্রধান ফ্রান্সিসকো ফেরেরা বলেন, গ্রিনহাউজ গ্যাসের সবচেয়ে বড় উৎস থেকে নিজেদের মুক্ত করা পর্তুগালের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। তবে কয়লার পরিবর্তে গাছ পোড়ানোর সম্ভাবনার কারণে পুরো বিষয়টিই বিফলে যেতে বসেছে। কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে তার চেয়ে একটু কম নিঃসরণযুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করা স্পষ্টতই কোনো সমাধান নয়।

সম্পর্কিত খবর