শিরোনাম
কোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানেরডেঙ্গুতে আরও ১০ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯৯৬২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীপতনে শেষ ডিএসইর লেনদেনপ্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে নামার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকেরএশিয়ার বড় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছেনির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাশিশুদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীমৌসুমি বায়ুর বিদায়, সাগরে লঘুচাপের আভাসডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪৭ওয়াহাজের সঙ্গে ফারিয়ার নজরকাড়া সাজশাহজালালে ৬৩১ কার্টন সিগারেট জব্দরপ্তানি স্বাভাবিক, কমল তেলের দাম
down of head

ওয়াটা কেমিক্যালসের পর্ষদ সভা আজ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা আজ বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের (জুলাই-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অনুমোদন ও প্রকাশ করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ওয়াটা কেমিক্যালসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৪ টাকা ১১ পয়সা। অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ৭০ পয়সা।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়াটা কেমিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ৮ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ২২ পয়সায়।

এর আগের ২০১৯-২০ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্য মোট ৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়াটা কেমিক্যালসের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় ওয়াটা কেমিক্যালস। এছাড়া ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক এবং ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১৮ মাসে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৯২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ২২ হাজার ৬১৮টি শেয়ারের মধ্যে ৩৬ দশমিক ৪১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ২০ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ৩৯ দশমিক ৯৮। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যা ৪৮ দশমিক ৭১।

সম্পর্কিত খবর