শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

ঋণের প্রয়োজন নেই, সেই বক্তব্য ছিল ‘কৌশল’: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘অর্থের প্রয়োজনে আমরা সব জায়গায় যাব। বিশ্বব্যাংকে যাব, জাইকায় যাব। তবে আমরা সব সময় চেষ্টা করি, ভালো সুদে ও ভালো শর্তে ঋণ নিতে। এবার ঋণ চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ)।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহিবলের (আইএমএফ) কাছে ঋণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আইএমএফের ঋণ দরকার আছে। ডলার অর্জন করতে হবে। কিন্তু এরমানে এই নয়, দেশের অর্থনীতি খারাপ অবস্থায় আছে।’

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইএমএফের ঋণ প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে তার বক্তব্য প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার চাহিদা প্রকাশ করতে চাইনি। আমার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আগের বক্তব্য দিয়েছি।

প্রসঙ্গত গত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, বাংলাদেশের আইএমএফের ঋণের প্রয়োজন নেই এবং ঋণ দাতা সংস্থার কাছে কোনো তহবিল চাইবে না। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে ঋণ সহায়তা চেয়ে আইএমএফকে চিঠি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। গত সপ্তাহের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার চাহিদা প্রকাশ করলে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হতো। এটি আমার কৌশলগত বক্তব্য ছিল। এটি এক ধরনের দরকষাকষি। প্রত্যেকেই এটি করতে হবে।

‘আইএমএফের একটি দল এসেছিল, প্রতি বছরই আসে। দলটি ছিল তখনো। সে সময় যদি বলি, আমাদের অর্থের দরকার, তখন তারা অর্থ দিলেও সুদহার বাড়িয়ে দিতে পারে। গ্রাহক (বায়ার) হিসেবে আমরা খুব ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা ভাব দেখাই আমাদের অর্থের দরকার নেই। এটাই হলো মূল কথা।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থ চাই এটি আমি বলেছি। কত টাকা প্রয়োজন আইএমএফকে এখনো বলা হয়নি। দেখব তারা কী শর্ত দিতে যাচ্ছে। শর্ত দেখেই বিবেচনা করব। অবশ্য সরকার এটি মাথায় রাখবে ঋণের আওতায় দেওয়া শর্তগুলো যেন দেশের স্বার্থের পরিপন্থী না হয়।

তিনি আরও বলেন, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জানে এবং বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা সম্পর্কেও ধারণা আছে। কিছুদিন পর ঋণ থাকবে না, বাংলাদেশ আবার ঋণ দিতে পারবে।

বাজারে ডলার প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। অনেকে কিছু অব্যবস্থাপনা করছে। বেশি মূল্য দেখিয়ে এলসি খুলছে। বাধা দিলে এক ব্যাংক থেকে নিয়ে অন্য ব্যাংক খুলছে। বাজারে ডলার নিয়ে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টিতে কেউ বা কোনো মহল জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপেক্ষা করেন পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে।

সম্পর্কিত খবর