শিরোনাম
রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২০৮৯ফের বাড়ল এলপিজির দাম৯২% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্যফারইস্ট ইসলামী লাইফের জমি দখলের অভিযোগদেলোয়ারের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে আইডিআরএব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারী বেড়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখদেড় ঘণ্টায় ৩ ভূমিকম্প, কাঁপল দেশমেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনার ৭ গোলবিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য এশিয়ার দিকে: সিপিডি চেয়ারম্যান৩-৪ গুণ দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছি: তথ্যমন্ত্রীহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১১৫৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৭৯ শতাংশশাহজালালে আড়াই কোটির স্বর্ণ-সিগারেট আটকমাল্টার অস্বাভাবিক দামে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর
down of head

‘আগামী ৪ বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আয় সম্ভব’

নির্দিষ্ট কিছু ছাড় পর্যায়ক্রমে তুলে দিলে আগামী চার বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আয় সম্ভব বলে জানিয়েছে গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআরআই)। একই সঙ্গে মধ্যমেয়াদে আর্থিক খাতে সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারলে ২০৪১ সাল নাগাদ ৪৯ লাখ কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব আয় হবে। আর এ সময়ে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন না করলে ৫০ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতিতে পড়বে সরকার।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেল আমারিতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয় রূপরেখা সংক্রান্ত মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর।

পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক বলেন, স্বল্পমেয়াদে আর্থিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে বিনিয়োগের জন্য কর রাজস্ব বৃদ্ধি করা অপরিহার্য সংস্কারমূলক পদক্ষেপের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু কর ছাড় পর্যায়ক্রমে বাদ দিলে চার বছরে ৬০০ বিলিয়ন বা ৬০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি রাজস্ব সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। তবে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন না করলে ২০৪১ সালে শেষ হওয়া অর্থবছরে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ৫০ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হবে।

মূল প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, সরকারি ব্যয়ের শতাংশ হিসাবে কর রাজস্ব হ্রাস, ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝা এবং ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য রাজস্ব বৃদ্ধির প্রয়োজন হবে। কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সুদের অর্থপ্রদান, ক্রমবর্ধমান মজুরি, ভর্তুকি ও পেনশন প্রদানের চাপসহ মানব সম্পদ এবং সামাজিক সুরক্ষার ব্যয়ের চাপ বাড়বে। আইএমএফের সাপোর্ট বাংলাদেশকে আর্থিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করছে, তবে রাজস্ব না বাড়ালে বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের ক্ষমতার উন্নতি হবে না।

এতে আরও বলা হয়, মধ্যমেয়াদী আর্থিক সংস্কারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক কর নীতি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং ভ্যাট সংস্কার, কর প্রশাসনের প্রযুক্তি আধুনিকরণসহ সম্পদ কর নীতি তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য করের উপর নির্ভরতা কমানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম।

প্যানেল আলোচনায় কথা বলেন- মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (মেট্রো চেম্বারের/এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আশরাফ আহমেদ, এনবিআর সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, এনবিআরের সাবেক সদস্য (মূসক নীতি) জাহাঙ্গীর হোসেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন পিআরআইএর গবেষণা পরিচালক এম এ রাজ্জাক। সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কথা বলেন পিআরআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ। রাজস্ব সংগ্রহে বাণিজ্য করের উপর বিশেষ আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও পিআরআই চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার।

এন এস

সম্পর্কিত খবর