আগামী বছর চাল রফতানি বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে থাইল্যান্ড
আগামী বছর চাল রফতানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে থাইল্যান্ড। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ থাকায় দেশটিতে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। ফলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রফতানি বাড়ানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে ডলারের বিপরীতে থাইল্যান্ডের মুদ্রার বিনিময় মূল্য কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটির চাল আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। খবর ব্যাংকক পোস্ট।
তথ্য বলছে, চলতি বছর ৬০ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে থাইল্যান্ডের। লক্ষ্যমাত্রার বেশির ভাগ চাল এরই মধ্যে রফতানি করা হয়েছে। তবে আগামী বছর ৭০-৭৫ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটির নীতিনির্ধারকরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছর থাইল্যান্ড বৈশ্বিক চাল রফতানিতে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করবে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকবে যথাক্রমে ভারত ও ভিয়েতনাম। ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে থাইল্যান্ড।
থাই রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট চারুইন লাওথামাতাস বলেন, বৈশ্বিক চাল রফতানি বাজারে নেতৃস্থানীয় হয়ে উঠতে হলে চালের উন্নত জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো জোরদার করতে হবে। ২০২১-২২ মৌসুমে থাইল্যান্ডে চাল উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদন দুই কোটি টন ছাড়াতে পারে। ২০২০-২১ মৌসুমে উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ৭০ লাখ টন।
ফ্রি অন বোর্ড (এফওবি) চুক্তিতে প্রতি টন ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চাল ৩৯০ ডলারে রফতানি করা হচ্ছে। যেখানে একই জাতের চাল ভিয়েতনাম রফতানি করছে ৪০৫ ডলারে।


