বললেন ডিসিসিআই সভাপতি
অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে
বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে। অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি দীর্ঘমেয়াদে স্বস্তি না দিলেও বর্তমানে এর কোনো বিকল্প নেই। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নাজুক। ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে হলে এখনই বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে আমাদের শিল্প-কারখানা বন্ধ হলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না এবং বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সমস্যাটি সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বর্তমানে যে পরিকল্পনা করছি, ২০৩০ সাল পর্যন্ত বা ২০৪১ সাল পর্যন্ত একটা প্যারামিটার সেট করছি। কিন্তু সেই সময়ে আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোও একইভাবে তাদের অর্থনীতি এগিয়ে নেবে। ফলে আমাদের সেই বিষয়গুলোও মাথায় রেখে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য সেট করা দরকার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ডিসিসিআই সভাপতি সমসাময়িক অর্থনীতি বিষয়ক ১২টি বিষয়বস্তুর ওপর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি ২০২৪ সালে ডিসিসিআইয়ের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এ বছর ঢাকা চেম্বার সিএমএসএমই, আমদানির বিকল্প শিল্প খাত, আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, ট্যাক্সেশন, বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক কূটনীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, এলডিসি উত্তরণ এবং স্মার্ট অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিস্তারিত সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, খেলাপি ঋণ, পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীলতা, ব্যালান্স অব পেমেন্ট এবং টাকার অবমূল্যায়নজনিত সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের এ ধরনের সমস্যা বেশ সফলতার সঙ্গে মোকাবেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি আগের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাব।
বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে। অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি দীর্ঘমেয়াদে স্বস্তি না দিলেও বর্তমানে এর কোনো বিকল্প নেই। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান নাজুক। ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হতে হলে এখনই বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় জ্বালানির অভাবে আমাদের শিল্প-কারখানা বন্ধ হলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিষয়টি অস্বীকার করা যাবে না এবং বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে সমস্যাটি সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা বর্তমানে যে পরিকল্পনা করছি, ২০৩০ সাল পর্যন্ত বা ২০৪১ সাল পর্যন্ত একটা প্যারামিটার সেট করছি। কিন্তু সেই সময়ে আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোও একইভাবে তাদের অর্থনীতি এগিয়ে নেবে। ফলে আমাদের সেই বিষয়গুলোও মাথায় রেখে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য সেট করা দরকার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ডিসিসিআই সভাপতি সমসাময়িক অর্থনীতি বিষয়ক ১২টি বিষয়বস্তুর ওপর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি ২০২৪ সালে ডিসিসিআইয়ের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, এ বছর ঢাকা চেম্বার সিএমএসএমই, আমদানির বিকল্প শিল্প খাত, আর্থিক খাত, পুঁজিবাজার, ট্যাক্সেশন, বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক কূটনীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, এলডিসি উত্তরণ এবং স্মার্ট অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে বিস্তারিত সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি বর্তমানে মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, খেলাপি ঋণ, পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীলতা, ব্যালান্স অব পেমেন্ট এবং টাকার অবমূল্যায়নজনিত সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের এ ধরনের সমস্যা বেশ সফলতার সঙ্গে মোকাবেলার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি আগের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাব।



