বিষ খাইয়ে মারা ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল- নোবেল

 

বিচ্ছেদের নোটিশ পেয়ে নোবেল বলেন, আমার কাছে তথ্য আছে- বাংলাদেশের এক সেলিব্রেটি তাকে হায়ার করেছে, আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য। বড় এক সেলিব্রেটি তার সঙ্গে আছে।

গায়ক ও ইউটিউবার মাঈনুল আহসান নোবেলের স্ত্রী মেহরুবা সালসাবিলের কাছ থেকে বিচ্ছেদের নোটিশ পেয়েছেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর পাঠানো তালাকনামাটি নোবেলের ঢাকার বাসায় পৌঁছেছে।

তবে এটি পেয়ে বরং খুশিই হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ‘সারেগামাপা’ থেকে উঠে আসা আলোচিত-সমালোচিত এ গায়ক। পাশাপাশি অভিযোগ করেছেন, সালসাবিল তাকে বিষ খাইয়ে মারার চেষ্টা করেছিলেন। কয়েক মাস আগে তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল বলেও জানান নোবেল।

বিচ্ছেদপত্র হাতে পাওয়ার বিষয়ে এ গায়ক বলেন, ‘এক/দেড় মাস আগে ডিভোর্স লেটার পাইছি। আমার ঢাকার বাসাতে পাঠানো হয়েছে। লেটার পাওয়ার পর সিটি কর্পোরেশন থেকে সাধারণত ডাকা হয়। তবে আমাকে এখনও কেউ ডাকেনি। সম্ভবত আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে।’

এই বিচ্ছেদের কারণ জানতে চাইলে নোবেল বলেন, ‌‘দুজনের সঙ্গে বনিবনা হয় না। সে আমার অনেক বড় ক্ষতি করেছে। আমার কাছে তথ্য আছে- বাংলাদেশের এক সেলিব্রেটি তাকে হায়ার করেছে, আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য। বড় এক সেলিব্রেটির হাত রয়েছে এর পেছনে।’

নোবেল অভিযোগ করেন, তার পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র গায়েব করে দিয়েছেন সালসাবিল। ব্যাংক থেকেও বড় অংকের টাকা সরিয়েছেন তিনি।

‘সে আমার পাসপোর্ট, এনআইডি গায়েব করে দিয়েছে। আমার ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ টাকা সরিয়ে ফেলেছে- এই আরকি। তবে আমি মাইন্ড করিনি। আমার বউ ৩০ লাখ কেন কলিজা কেটে নিলেও আমি মাইন্ড করি না। কিন্তু বলবো, বড় বাঁচা বেঁচে গেছি। শুধু তাই নয়, সে আমাকে মারধর করেছে। আমাকে বিষ পর্যন্ত খাওয়ানো হয়েছিল। আমি তো ধনুষ্টংকার রোগে মারাই যেতাম’- স্ত্রী প্রসঙ্গে বললেন এ গায়ক।

বিষ খাওয়ানো হয়েছে এটা কীভাবে বুঝলেন- জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‌‘‘তামাশা’ গান যখন রিলিজ হয়, তখন থেকে ঘটনাটি ঘটে আসছিল। সে আমাকে অতিরিক্ত মাদক খাওয়াতো। এটা মাদক বলেন আর মদ-ই বলেন অতিরিক্ত খেলে কিন্তু মস্তিষ্কে আক্রমণ করে। সে সেটাই করেছিল।’’

আক্ষেপ করে নোবেল আরও বলেন, ‘বউটা যদি জেনুইন না হয়ে হায়ার করা হয়; তাহলে তো সমস্যা। বেঁচে গেছি, এটাই বড় কথা।’

এদিকে, অভিযোগগুলো নিয়ে সালসাবিলের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মুঠোফোন ধরেননি।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সালসাবিল একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘যদিও আমার পাঠানো ডিভোর্স লেটারটায় সাইন দেওয়া হয়েছে কিনা, তা আমি এখনও জানি না। একটা ডিভোর্স অথবা সংসার ভেঙে যাওয়া কখনোই সুন্দর কিছু না। তারপরও আমি নোবেলের সার্বিক সুস্থতা কামনা করি এবং তার ভবিষ্যতের জন্য আমার তরফ থেকে সবসময় দোয়া থাকবে।’