নিজেকে আর টানতে পারছেন না শাকিব খান!

যতটা উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা ছিল শাকিব খানের ঈদের সিনেমা ‘প্রিন্স’ নিয়ে, মুক্তির পর ঠিক যেন ততটাই ভাটা পড়েছে এটি নিয়ে। স্টার সিনেপ্লেক্সের মতো চেইন মাল্টিপ্লেক্স থিয়েটারসহ আরও কিছু সিঙ্গেল স্ক্রিনে ঈদের সময় সিনেমাটি সরবরাহ করতে পারেনি প্রযোজনা সংস্থা।

এ নিয়ে নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, পরিবেশক সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়ার নতুন সার্ভার জটিলতার কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এতে সন্তুষ্ট নন দর্শকরা।সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে ঈদ উৎসব এবং শাকিবের সিনেমা, দুটো বিষয় নিয়ে যে হাইপ ছিল সেটার ধারে কাছেও পৌঁছাতে পারেনি প্রিন্স। মুক্তির প্রথম দিন দেশের যেসব প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়েছিল, প্রথম শো থেকে ক্রমান্বয়ে টিকিট বিক্রির হার কমেছে।

অন্যদিকে আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদ অভিনীত অন্য দুটি সিনেমার অবস্থা খুব বেশি আলোড়িত হওয়ার মতো কিছু না থাকলেও শাকিবের সিনেমার ‘হাইপ’র তুলনায় তারা ভালো অবস্থানেই আছে। এদিকে প্রিন্সকে অনেকে দক্ষিণ ভারতীয় বেশ কিছু সিনেমার মিশেল বলেই অবহিত করেছেন। অবশ্য গত চার বছরে দু-একটি ছাড়া শাকিবের প্রত্যেকটি সিনেমাই দক্ষিণ ভারতের একাধিক সিনেমার ককটেল বলেই দর্শকদের অভিমত।

তবে ‘প্রিন্স’ এবারের ঈদে শাকিবভক্ত তথা দর্শকদের যে হতাশ করেছে, তা ঈদের চার দিন পর অনায়াসে বলা যায়। বিশেষ করে হলমালিকরা যে টাকা দিয়ে সিনেমাটি প্রদর্শনের জন্য নিয়েছেন, তা উঠবে কি না, বা উঠলেও লাভের মুখ দেখবেন কি না, তাও এখন নিশ্চিত করে বলা যায় না।

এদিকে এবারের ঈদের ছুটিও বেশ লম্বা। এ ছুটি কাটিয়ে মানুষ ঢাকায় ফিরলে হয়তো সিনেমা দেখার প্রতি কিছুটা আগ্রহও বোধ করতে পারেন। আপাতত তাদের দিকে তাকিয়ে শাকিব খান হতাশার দীর্ঘশ্বাসটা আটকে রাখতে পারেন কিছু সময়ের জন্য। সিনেমায় শাকিবের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের তাসনিয়া ফারিন, সাবিলা নূর ও কলকাতার জ্যোর্তিময়ী কুন্ডু।

সম্পর্কিত খবর