শিরোনাম
icon দুই বছর পর বিও হিসাব সচলের সুযোগ icon এবার প্রিমিয়ার ব্যাংকের পর্ষদে তিন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ icon কমার্স ব্যাংকের পর্ষদে দুই নতুন মুখ icon প্রগ্রেসিভ লাইফের বীমা ব্যবসা বন্ধ করেছে আইডিআরএ icon লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক icon বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন icon হামের উপসর্গে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩১৮ icon বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখ কর্মী অনানুষ্ঠানিক খাতে icon চার মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৪.৭ শতাংশ icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে ওইমেক্স ইলেকট্রোড icon লেনদেনের শীর্ষে এনভয় টেক্সটাইলস icon সূচকের পতনে বেড়েছে লেনদেন icon জেএমআই সিরিঞ্জসের বোর্ড সভা ১২ নভেম্বর icon এটলাস বাংলাদেশের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর icon মেঘনা পেট্রোলিয়ামের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বিএসআরএম স্টীলের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon খান ব্রাদার্সের বোর্ড সভা ১০ অক্টোবর icon রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫৪৯ icon আগামী বছর বাড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon ডি-৮ বাণিজ্য বাধা দূর করতে এফটিএ-পিটিএর তাগিদ icon ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, বিক্ষোভ শ্রমিকরা icon ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon মেঘনা পেট্রোলিয়ামের লভ্যাংশ ঘোষণা icon সোলার এক্সপো-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
down of head

দুই বছর পর বিও হিসাব সচলের সুযোগ

দুই বছর ধরে জব্দ থাকা কিছু বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে আবারও শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসব হিসাবে টাকা জমা, শেয়ার কেনা-বেচা এবং মার্জিন সুবিধা সমন্বয় করা যাবে।

তবে এসব হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে না। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অর্থ উত্তোলনের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিএসইসির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কমিশনের মুখপাত্র আবুল কালাম।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে কিছু বিও হিসাবের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল করা হয়েছে। এসব হিসাবে নিয়মিত লেনদেন, নতুন অর্থ জমা এবং সংশ্লিষ্ট হিসাবের বিপরীতে পাওনা নিষ্পত্তির সুযোগ থাকবে। তবে অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।

২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে এসব বিও হিসাব জব্দ করা হয়। বিএসইসি নিজ উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নির্দেশনা ও আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এসব হিসাব জব্দ করে।

বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৬১৭টি বিও হিসাব জব্দ করা হয়েছিল। এসব হিসাবের মধ্যে উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হিসাবও রয়েছে। জব্দ হওয়া হিসাবের প্রায় অর্ধেক শেয়ার কারসাজির অভিযোগে বিএসইসি জব্দ করেছিল। এসব হিসাবের কয়েকটির বিরুদ্ধে কারসাজির ঘটনায় বড় অঙ্কের জরিমানাও করা হয়। বাকি হিসাবগুলো আদালত ও বিএফআইইউর নির্দেশে জব্দ করা হয়েছিল।

এদিকে পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরু গত ২৭ অক্টোবর নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিও ও ব্যাংক হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।

বিএসইসির কাছে দেওয়া ওই আবেদনে বলা হয়েছে, হিরু, তার পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব বিএফআইইউর নির্দেশে জব্দ রয়েছে। এ তালিকায় কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাতবর, কনিকা আফরোজ, আলেয়া বেগম, মোহাম্মদ বাশের, সাজেদ মাতবর, কাজী ফরিদ হাসান ও কাজী ফুয়াদ হাসানের নাম রয়েছে।

এ ছাড়া মোনার্ক হোল্ডিংস, মোনার্ক মার্ট, ইশাল কমিউনিকেশন, মোনার্ক এক্সপ্রেস, মোনার্ক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, মোনার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, মোনার্ক লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ, মোনার্ক ফুড, মোনার্ক ইলেকট্রনিকস, মোনার্ক স্পেস এক্সপ্লোরেশন, লাভা ইলেকট্রোডস ইন্ডাস্ট্রিজ ও দেশ আইডিয়াল ট্রাস্ট কো-অপারেটিভের ব্যাংক হিসাবও জব্দ রয়েছে।

আবেদনে হিরু উল্লেখ করেন, ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক দায় পরিশোধ, নিয়মিত ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে সমস্যায় পড়ছে। আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করে তিনি এসব হিসাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত খবর