শিরোনাম
সৃজনশীল শিল্পে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রীটানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, ভর্তি ১৮৯৮২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যুটেকসই প্যাকেজিংয়ে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শুরুআগাম শীতের সবজিতেও দামের উত্তাপডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বইআজ ৮১তম জাতিসংঘ দিবসবিশ্ববাজারে ৬ মাসের সর্বোচ্চে তেলের দামইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চাপে বাংলাদেশরাজধানীর যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না১৪১ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ২১ হাজার ৯৩৩ যাত্রীআজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাটভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত উপাদান
down of head

শেয়ার বিক্রি করতে হবে ওয়ালটনকে

 

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়ালটনের উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৯ দশমিক ০৩ শতাংশ নয়, ৪ দশমিক ০৩ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করতে হবে। অর্থাৎ ফ্রি-ফ্লোট শেয়ার ৫ শতাংশে উন্নীত করলেই চলবে। এজন্য কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা নিজেদের শেয়ার বিক্রি করতে দুই বছর সময় পাবেন।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে এ বিষয়ে মৌখিক সমঝোতা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত রোববার ওয়ালটনসহ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানিকে তাদের ফ্রি-ফ্লোট শেয়ারের পরিমাণ অন্তত ১০ শতাংশে উন্নীত করতে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বিদ্যমান শেয়ার বিক্রি করতে চিঠি দিয়েছিল বিএসইসি।

ফ্রি-ফ্লোট শেয়ার হলো, সেই শেয়ার, যার মালিকরা কোনো ঘোষণা ছাড়াই সেকেন্ডারি শেয়ারবাজারে তা বিক্রি করতে পারেন। সাধারণত কোনো কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বাইরে বাকি সব শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ারকে ফ্রি-ফ্লোট শেয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম বলেন, ওয়ালটনের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম না। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।

ওয়ালটনের কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলামও কিছু খোলাসা করেননি। তবে তিনি বলেন, আমাদের কাছে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ আগে। আবার ফ্রি-ফ্লোট শেয়ার বাড়ানোর বিষয়েও কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের নীতিগত অসম্মতি নেই। কিন্তু শেয়ার বিক্রি করতে গিয়ে যদি শেয়ারের দরপতন হয়, তাতে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডাররাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিতে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি কমিশন সবার বৃহত্তর স্বার্থে তা বিবেচনা করবেন।

নতুন সমঝোতা অনুযায়ী, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের আগামী ২ বছরে ১ কোটি ২২ লাখ শেয়ার বিক্রি করতে হবে। প্রতি মাসে বিক্রি করতে হবে গড়ে ৫ লাখ ৯ হাজার শেয়ার।

সমঝোতার পর এখন কোম্পানিটির পক্ষ থেকে কমিশনকে লিখিত চিঠি দিয়ে শেয়ার বিক্রির পরিমাণ কমানো এবং সময় বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। মঙ্গলবার বা বুধবারের মধ্যে এ চিঠি দেওয়া হতে পারে।

সম্পর্কিত খবর