শিরোনাম
স্বর্ণ ব্যবসায়ী দিলীপ আগরওয়ালা গ্রেপ্তারজ্বালানি খাত এখন অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু: অর্থমন্ত্রীবিশ্ববাজারে নিম্নমুখী তেলের দামবাংলাদেশকে ৩৯০ কোটি টাকা দিচ্ছে কানাডাআইডিআরএ’র নতুন সদস্য কামরুল আহসান ও সফিকুল ইসলামলুটপাটে ধ্বংস প্রগ্রেসিভ লাইফ, সম্পদ বিক্রি নিয়ে প্রশ্নমাতারবাড়ীতে শিল্প করিডোর চায় জাপানবৈরুতের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে বিস্ফোরণের শঙ্কাব্যবসায় সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা ঋণ, আবেদন ১ নভেম্বর থেকেরিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতসহজ শর্তে ঋণ বাড়াতে আইএমএফের তাগিদদাম কমায় ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কাসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনআজ খোলা থাকবে ব্যাংকডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, ভর্তি ১,১৮১ জন
down of head

আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে আসার সুযোগ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়াই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে নির্দিষ্ট শ্রেণির সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি। এ জন্য ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ অন দ্য স্টক এক্সচেঞ্জ) রুলস, ২০২৬’ শীর্ষক বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

গতকাল (১৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় বিধিমালাটি প্রকাশিত হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন বিধিমালার ফলে যোগ্য কোম্পানিগুলো নতুন শেয়ার ইস্যু করে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ না করেও বিদ্যমান শেয়ারধারীদের শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। এর মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজারে ভালো ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বিএসইসির চূড়ান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, সাত শ্রেণির কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য বিবেচিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে শতভাগ বা কমপক্ষে ৫১ শতাংশ সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের মালিকানায় থাকা কোম্পানি এবং শতভাগ বা কমপক্ষে ৫১ শতাংশ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি।

এ ছাড়া সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা নিট সম্পদমূল্যের তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা কোম্পানি এ সুযোগ পাবে। বার্ষিক লেনদেন বা সম্পদ ৫০০ কোটি টাকা হলেই যোগ্য হওয়ার যে ধারণা খসড়া নিয়ে আলোচনায় ছিল, চূড়ান্ত বিধিমালায় তার পরিবর্তে বার্ষিক লেনদেন কমপক্ষে ১ হাজার কোটি টাকা হওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।

বিএসইসিতে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি এবং ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানিও এ তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া কমিশন ভবিষ্যতে অন্য কোনো কোম্পানিকে এ সুবিধার আওতাভুক্ত করতে পারবে।

সম্পর্কিত খবর