শিরোনাম
icon সিএফও নিয়োগ: আইডিআরএর নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন icon দুই বছর পর বিও হিসাব সচলের সুযোগ icon এবার প্রিমিয়ার ব্যাংকের পর্ষদে তিন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ icon কমার্স ব্যাংকের পর্ষদে দুই নতুন মুখ icon প্রগ্রেসিভ লাইফের বীমা ব্যবসা বন্ধ করেছে আইডিআরএ icon লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক icon বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন icon হামের উপসর্গে ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৩১৮ icon বাংলাদেশে ৫ কোটি ৮০ লাখ কর্মী অনানুষ্ঠানিক খাতে icon চার মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৪.৭ শতাংশ icon দর বৃদ্ধির শীর্ষে ওইমেক্স ইলেকট্রোড icon লেনদেনের শীর্ষে এনভয় টেক্সটাইলস icon সূচকের পতনে বেড়েছে লেনদেন icon জেএমআই সিরিঞ্জসের বোর্ড সভা ১২ নভেম্বর icon এটলাস বাংলাদেশের বোর্ড সভা ১০ নভেম্বর icon মেঘনা পেট্রোলিয়ামের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon বিএসআরএম স্টীলের বোর্ড সভা ১১ নভেম্বর icon খান ব্রাদার্সের বোর্ড সভা ১০ অক্টোবর icon রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫৪৯ icon আগামী বছর বাড়ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ: প্রধানমন্ত্রী icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon ডি-৮ বাণিজ্য বাধা দূর করতে এফটিএ-পিটিএর তাগিদ icon ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, বিক্ষোভ শ্রমিকরা icon ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon মেঘনা পেট্রোলিয়ামের লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

এভারগ্রান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হুইয়ের যাবজ্জীবন

চীনের ঋণগ্রস্ত আবাসন কোম্পানি এভারগ্রান্ড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা হুই কা ইয়ানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বৃহস্পতিবার শেনজেনের একটি আদালত এ রায় দেন। একই সঙ্গে তার সব ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৬৭ বছর বয়সী হুই একসময় এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তহবিলের অপব্যবহার, অর্থ সংগ্রহে জালিয়াতি, অবৈধভাবে আমানত গ্রহণ, বেআইনি ঋণ প্রদান, প্রতারণার মাধ্যমে সিকিউরিটিজ ইস্যু ও ঘুষ দেওয়াসহ আটটি অভিযোগে গত এপ্রিলে তিনি দোষ স্বীকার করেন।

আদালত জানায়, হুই ও এভারগ্রান্ডের অপরাধে বিপুল অর্থ জড়িত ছিল এবং এতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে। তাই তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
হুইয়ের পাশাপাশি এভারগ্রান্ডকে ৮৮২ কোটি ইউয়ান এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান হেংদাকে ৭০০ কোটি ইউয়ান জরিমানা করা হয়েছে। এভারগ্রান্ডের আরও পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ছয় থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি জানিয়েছে, হুই ছাড়া সংশ্লিষ্ট আরও ৫৬ জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে।
১৯৯৬ সালে এভারগ্রান্ড প্রতিষ্ঠা করেন হুই। ঋণনির্ভর সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে চীনের বৃহত্তম আবাসন কোম্পানিতে পরিণত করেন তিনি। ২০১৭ সালে তার সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ৫৩০ কোটি ডলারে পৌঁছালে ফোর্বসের হিসাবে তিনি এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হন।

তবে অতিরিক্ত ঋণের কারণে ২০২১ সালে এভারগ্রান্ড ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়। পরে কোম্পানিটির ৩০ হাজার কোটি ডলারের বেশি দায় প্রকাশ্যে আসে। এর পতনে চীনের আবাসন খাতে দীর্ঘস্থায়ী সংকট তৈরি হয় এবং দেশটির অর্থনীতি ও আর্থিক বাজারে বড় ধাক্কা লাগে।

২০২৪ সালে হংকংয়ের আদালত এভারগ্রান্ডকে অবসায়নের নির্দেশ দেন। পাওনাদারদের দাবি প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার হলেও গত আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ২৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের মতো সম্পদ বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে। হুইয়ের যাবজ্জীবন সাজা ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতা ও পাওনাদারদের অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: রয়টার্স

সম্পর্কিত খবর