শিরোনাম
icon ৪ দিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে icon অক্টোবরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা icon ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১৯২৯ icon লেনদেনের শীর্ষে মতিন স্পিনিং মিলস icon সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা icon গার্ডিয়ান লাইফের ৫০ কর্মকর্তাকে বিআইপিডির প্রশিক্ষণ প্রদান icon পতনে শুরু শেয়ারবাজারের সপ্তাহ icon ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রে*প্তা*র ৫০৫ জন icon এলডিসি ছাড়ে বাড়তি সময়, কৃতিত্ব দেখানোর পালা: সিপিডি icon ৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো icon লোকসানে ইসলামী ব্যাংক icon প্রিমিয়ার ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon পিপলস ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন icon হ্যালোইনে ভিন্ন রূপে অপু বিশ্বাস icon সিএফও নিয়োগ নিয়ে ৩ নভেম্বর বিআইএ’র বৈঠক icon গাজীপুর-মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, যানজটে দুর্ভোগ icon ঢাকায় ৬ রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালু icon পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন icon ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon এবি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon সাউথইস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon সিএফও নিয়োগ নিয়ে আইডিআরএর সার্কুলার বাতিলের দাবি icon ৬০ দিনের মধ্যে মিলবে স্টার্টআপ কোম্পানির নিবন্ধন
down of head

সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বছরে নিহত ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থী

দেশে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৩৬৪ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪৮ হাজার ৭১৩ জনের মধ্যে শিক্ষার্থীর হার ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৬ জন।

তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের চালক বা আরোহী হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এছাড়া পথচারী হিসেবে ১ হাজার ৯২৩ জন, যানবাহনের যাত্রী হিসেবে ৯২৭ জন, বাইসাইকেল ও রিকশার আরোহী হিসেবে ৫১৯ জন এবং অটোরিকশার চাকায় ওড়না বা পোশাক পেঁচিয়ে ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সড়কভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আঞ্চলিক সড়কে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ১৪৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এরপর গ্রামীণ সড়কে ১ হাজার ৯৪৭ জন, শহরের সড়কে ১ হাজার ৭৮৬ জন এবং মহাসড়কে ১ হাজার ৪৮২ জন নিহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত সাড়ে সাত বছরে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপার কিংবা কানে হেডফোন ব্যবহার করে রেললাইন ধরে হাঁটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে আরও ১ হাজার ২৩৭ জন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক ও অনিরাপদ যানবাহন, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের ঘাটতি, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা এবং অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির অন্যতম কারণ।

সংস্থাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত সড়ক নিরাপত্তা ক্যাম্পেইন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষায় সড়ক নিরাপত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার, অনিরাপদ যানবাহন বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের মোটরসাইকেল চালানো ঠেকাতে কঠোর আইন প্রয়োগের সুপারিশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের আট বছর পরও সড়ক পরিবহন খাতে কার্যকর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কমিটি গঠন ও সুপারিশের মধ্যেই উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থাকলেও বাস্তবে দুর্ঘটনা কমাতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পদক্ষেপের ঘাটতি রয়ে গেছে।

সম্পর্কিত খবর