শহিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ফারইস্ট লাইফ
‘বিধি বহির্ভূত এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী’ কাজের অভিযোগ এনে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
বৃহস্পতিবার এই নোটিশে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠাটির সিইও দাবী করা কামরুল হাসান।
চিঠিতে বলা হয়, “ফারইস্ট লাইফের সাবেক সিইও মোঃ হেমায়ত উল্যাহর নামে অর্থ ও হিসাব বিভাগে বিবিধ খরচ খাতে অগ্রীম হিসাবে অসমন্বিত পঁচানব্বই লক্ষ তিন হাজার টাকার বিষয়টি গোপন রাখেন এবং সময়মত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন নি। এতে করে কোম্পানী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা কোম্পানীর বিধি বহির্ভূত এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী।”
কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেন শহিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- তার সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা তিন কর্ম দিবসের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।
এ বিষয় জানতে চাইলে ফারইস্ট লাইফের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, “এ চিঠি সম্পর্কে আমি একেবারেই অবগত নই, কি উদ্দেশ্যে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে তা বোধগম্য নয়।”
তিনি আরো বলেন, “সাবেক সিইও হেমায়েত চলে যাওয়ার পর আরো ২ জন সিইও দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ দীর্ঘ প্রায় ৪/৫ বৎসর পূর্বের এই বিষয়ে এখন আমাকে কেন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলো, বুঝতে পারছি না। আর চিঠিতে স্বাক্ষরকারী (কামরুল হাসান) কবে সিইও হলেন তাও জানা নেই। তবে এই বিষয়গুলো নিয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলবো।”
এ বিষয় জানতে কামরুল হাসানকে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মিটিং এ আছি বলে ফোন কেটে দেন।
ফারইস্ট লাইফের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ অনিয়ম-দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যাঁরা এসব অপরাধের সঙ্গে যুক্ত এবং অপরাধীদের সহযোগী- তাদের নিয়েও কঠোর হচ্ছে ফারইস্ট লাইফ।”


