শিরোনাম
icon শীতের সবজি বাজারে, বিপাকে ক্রেতারা icon নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম icon ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী icon স্বাস্থ্যবীমার দাবি পরিশোধ করল বেঙ্গল ইসলামী লাইফ icon যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পিএইচপি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন icon প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে ২৯৬ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের তাগিদ icon হঠাৎ কনের সাজে সাদিয়া আয়মান icon হামের উপসর্গে ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৩১৫ জন icon পে-স্কেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৮ নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon সূচকের পতনে লেনদেন ৫৬৪ কোটি টাকার icon চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানি ১০ কনটেইনার তামাক আটক icon জাপান সফর শেষে রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী icon ইউনিক হোটেলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এস্কয়ার নিটের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ভিএফএস থ্রেডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ফার কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিক আন্দোলন icon জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড icon সংকটে তাঁতশিল্প, বন্ধ প্রায় ১ লাখ তাঁত icon আইএমএফের ডিএমডি হচ্ছেন চীনা উপমন্ত্রী icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৫
down of head

আশুলিয়ায় পুরোদমে চলছে উৎপাদন, বন্ধ ২৫ কারখানা

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার পোশাক কারখানাগুলোতে পুরোদমে উৎপাদন চলছে। মাত্র ২৫টি ব্যতীত সব কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করছেন শ্রমিকরা।

বন্ধ কারখানাগুলোর অধিকাংশেই সকালে শ্রমিক প্রবেশ করেছেন। তবে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। এমন কারখানার সংখ্যা খুবই কম।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিল্পপুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি সপ্তাহে নতুন করে কোনো কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেনি কর্তৃপক্ষ। তবে শ্রমিক অসন্তোষ চলাকালীন গত সপ্তাহের বিভিন্ন সময় সর্বোচ্চ ৮৬টি পোশাক কারখানাকে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩(১) ধারায় বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং সাধারণ ছুটি দেওয়া হয় ১৩৩টিতে। যার মধ্যে এখনও বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩(১) ধারায় বন্ধ ২০টি কারখানা আজও খোলা হয়নি। এছাড়া সাধারণ ছুটি রয়েছে আরও ৫টি কারখানায়। তবে বাকি সব পোশাক কারখানায় পুরোদমে উৎপাদন চলছে। শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকরা প্রবেশ করে বিভিন্ন দাবিতে কাজ বন্ধ করে বসে রয়েছেন। শ্রমিকরা মূলত সমস্যা সমাধান করতে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছেন। আবার কয়েকটিতে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু বলেন, শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও শ্রম আইনের ১৩(১) ধারায় বন্ধ রয়েছে কয়েকটি। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। তাই বন্ধ কারখানাগুলো খুলে দিতে আমরা মালিকপক্ষ ও বিজিএমইএ’র কাছে অনুরোধ করেছি। না হলে এই বন্ধ কারখানাগুলোকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিশৃঙ্খলা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কারখানা বন্ধ রাখা কোনো সমাধান নয়, খুলে দিয়ে মালিকপক্ষের উচিত শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা।

শিল্পপুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম বাংলানিউজকে বলেন, আজও শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় ২০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে, যা গত সপ্তাহের বিভিন্ন সময় বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া আরও ৫টি কারখানায় সাধারণ ছুটি রয়েছে। এসব কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে কারখানার সামনে গিয়ে হইচই করেছেন শ্রমিকরা। কারখানা খুলে দিতে আমরা বিজিএমইএ ও মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় বিভিন্ন কারখানার সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অব্যাহত আছে যৌথ বাহিনীর টহল কার্যক্রম।

এন এস

সম্পর্কিত খবর