শিরোনাম
icon মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা, আন্দোলন নয় icon বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার কোটি টাকা icon ঢাকায় বাস রুটে বড় পরিবর্তন icon মালয়েশিয়াগামীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার icon ২০৩০ পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ icon কোন বোর্ডে পাসের হার কত? icon সোনার দামে বড় পতন icon এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ icon কৃষিঋণ মওকুফে চাঙা গ্রামীণ অর্থনীতি icon এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে icon সংঘাত দীর্ঘ হলে বাড়বে মূল্যস্ফীতি icon কমলা শাড়িতে মোহনীয় পরীমনি icon ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,২৬২ icon বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা icon পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু icon কমলো সোনার দাম icon এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ল ৩ বছর icon শীতের সবজি বাজারে, বিপাকে ক্রেতারা icon নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম icon ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী icon স্বাস্থ্যবীমার দাবি পরিশোধ করল বেঙ্গল ইসলামী লাইফ icon যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পিএইচপি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন icon প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে ২৯৬ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের তাগিদ
down of head

গুলির ভয়ে মাছ ধরতে ভয় পান জেলে জালাল

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চরম মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটছে গাজার বাসিন্দাদের। হামলার ভয়ের মধ্যেই চরম ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় মুমূর্ষু অবস্থা অনেকেরই।

এরই মধ্যে, সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েও পড়তে হচ্ছে হামলার মুখে। ছয় মাস পর সন্তানদের মাছ খাওয়ার শখ পূরণে জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন জালাল কারান নামে ফিলিস্তিনি এক বাবা।

আগে মাছ ধরতে সমুদ্রের দূর দূরান্তে চলে যেতেন ফিলিস্তিনি জেলে জালাল কারান। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পানিতে নামার কোন সুযোগই পাননি। কারণ মানুষ দেখলেই গুলি চালায় ইসরাইলি হায়েনারা।

জালাল বলেন, আমরা বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলেই হামলার মুখে পড়তে হয়। আমি কয়েক দফা বেঁচে ফিরেছি। কিন্তু বাচ্চারা না খেয়ে আছে দেখে আজ আর থাকতে পারলাম না।

তিনি জানান, সমুদ্রে জাল ফেলে টুনা মাছ ধরেছেন তিনি। সেটি দিয়ে পরিবার নিয়ে ইফতার করবেন এই ফিলিস্তিনি জেলে। তবে তিনি বলেন, একদিন নয়, তার প্রয়োজন প্রতিদিন মাছ ধরা।

রমজান মাস, সামনেই ঈদ। তাই পরিবারের জন্য খাবার ও অন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিস কিনতে হলে কারানের মাছ ধরা খুবই জরুরি। কারণ মাছ বিক্রি করেই চলে তার ও পরিবারের পেট।

প্রতি বছর এই সময়টায় পরিবারের জন্য নানা খাবারের আয়োজন থাকতো সেহরি আর ইফতারে। কিন্তু যতবারই সে চেষ্টা করেছে, তাকে পড়তে হয়েছে হামলার মুখে।

জালাল বলেন, ভাগ্য ভালো, সাগরপাড়ের খুব কাছেই জাল ফেলেছিলাম। ইসরাইল তারপরও গুলি করেছে। নৌকার খুব কাছাকাছি পড়েছে গুলিগুলো। এমন একটা দিন নেই যেদিন ওরা আমাদের তাড়া করে না।

এই জেলে জানান, নানা রকম মাছ ও সামুদ্রিক খাবারের জন্য গাজা বিশ্বখ্যাত হলেও যুদ্ধ শুরুর পর অন্য সবকিছুর মতোই মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে সেখানে। যার প্রভাব পড়ছে বাজারে।

ফিলিস্তিনি জেলে জালাল কারান বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর ছয় মাসে আমরা কোন মাছ খাইনি। সমুদ্রের পাড়ে বাড়ি হলেও পানিতে জাল ফেলতে হলে আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালত ইসরাইলকে নির্দেশ দিয়েছে গাজায় মৌলিক খাদ্য চাহিদা পূরণে অবিলম্বে সব রকমের ব্যবস্থা নিতে কিন্তু তারপরও এ বিষয়ে কোন উদ্যোগই নেয়নি তেল আবিব।

জালালের মতে, এক দুই কেজি মাছ ধরতে আমি জীবন বাজি রাখছি। যাতে সন্তানরা খেতে পারে। যাতে বিক্রি করে ওদের অন্য চাহিদা পূরণ করতে পারি। কিন্তু এটা খুবই মর্মান্তিক। গাজায় মানুষ না খেয়ে মরছে।

সম্পর্কিত খবর