শিরোনাম
icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার
down of head

নয় বছরের সর্বোচ্চ গম আবাদ কানাডায়

চলতি বসন্তে কানাডার কৃষকরা নয় বছরের সর্বোচ্চ গম আবাদ করেছেন। বিশ্বব্যাপী শস্যটির সরবরাহ সংকট খাদ্যশস্য ও খাবারের দামকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে আবাদ বাড়ানো হয়েছে। দেশটির সরকারি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্ট্যাটিসটিকস কানাডার দেয়া তথ্যমতে, প্রতি বসন্তে দেশটির কৃষকরা যে পরিমাণ গম ও ক্যানোলা (এক ধরনের তেলবীজ) আবাদ করেন, এবার তার চেয়ে অনেক বেশি করেছেন। তবে শুষ্ক আবহাওয়া কিছুটা উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কী পরিমাণ জমি অনাবাদি থাকবে তা আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ খাদ্যশস্য রফতানিকারক দেশ। সিংহভাগ শস্যই সমুদ্রবন্দর দিয়ে রফতানি করে এ দেশ। কিন্তু ২৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে দেশটির কৃষ্ণ সাগরীয় সমুদ্রবন্দর রুশ সামরিক বাহিনী অবরোধ করে রেখেছে। ফলে রফতানিতে ধস নেমেছে। ইউক্রেনের গুদামগুলোয় আটকে আছে বিপুল পরিমাণ গম ও সূর্যমুখী তেল। এ কারণে বিশ্ববাজারে সংকট মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অব্যাহত বাড়ছে দাম।

কানাডাও অন্যতম শীর্ষ গম ও ক্যানোলা রফতানিকারক। গত বছর ভয়াবহ খরার কারণে দেশটির কৃষিপণ্য আবাদ ও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ বছর খরার ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশটি। এর মধ্য দিয়ে দেশটি বৈশ্বিক ঘাটতি কিছুটা হলেও মেটাতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা।

স্ট্যাটিসটিকস কানাডার তথ্য বলছে, ২ কোটি ৫৪ লাখ একর জমিতে গম আবাদ করা হয়েছে। ২০১৩ সালের পর এটি সর্বোচ্চ। এছাড়া গত এপ্রিলে দেয়া পূর্বাভাসের চেয়ে এটি কিছুটা বেশি। ওই সময় ২ কোটি ৫০ লাখ একর জমিতে গম আবাদ করা হয়েছিল। এবার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ৯ শতাংশ বেড়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, কৃষকরা ২ কোটি ১৪ লাখ একর জমিতে ক্যানোলা আবাদ করেছেন। এটি প্রত্যাশিত ২ কোটি ৯ লাখ একরের চেয়েও বেশি। তবে গত বছরের তুলনায় ৫ শতাংশ কমেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার কানাডায় বিপুল পরিমাণ জমিতে গম আবাদ হয়েছে। তবে কী পরিমাণ জমি অনাবাদি থাকবে তার ওপর নির্ভর করছে উৎপাদন।

স্ট্যাটিসটিকস কানাডা বলছে, এবার ১৮ লাখ একর জমি অনাবাদি থাকতে পারে। এপ্রিলে দেয়া পূর্বাভাসে ১৬ লাখ একরের কথা বলা হয়েছিল। সে হিসাবে অনাবাদি জমির পরিমাণ বাড়বে।

সম্পর্কিত খবর