মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদে নিম্নমুখিতা অব্যাহত
মে মাসের শেষ নাগাদ মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমেছে। গত সাত মাসের মধ্যে ছয় মাসই পণ্যটির মজুদ ছিল নিম্নমুখী। মূলত উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী রফতানি মজুদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক দেশ। গত মাসে দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ আগের মাসের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪০ হাজার টনে। ১১ জন প্লান্টার, ব্যাবসায়ী ও বিশ্লেষকের মতামতের ভিত্তিতে এ জরিপ চালানো হয়।
তথ্য বলছে, মে মাসে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন আগের মাসের তুলনায় ৪ শতাংশ কমে ১৪ লাখ টনে নেমেছে, যা তিন মাসের সর্বনিম্ন। মূলত ঈদুল ফিতরের ছুটি উপলক্ষে পাম অয়েল সংগ্রহের পরিমাণ কমে গিয়েছিল।
এদিকে পণ্যটির রফতানি প্রায় ২০ শতাংশ কমে ১২ লাখ ৭০ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। গত পাঁচ মাসের মধ্যে এটিই সর্বাধিক রফতানি। মূলত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইন্দোনেশিয়ার তিন সপ্তাহব্যাপী রফতানি নিষেধাজ্ঞার সুযোগে রফতানি বাড়িয়ে দেয় মালয়েশিয়া।
তথ্য বলছে, গত ২৮ এপ্রিল পাম অয়েল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইন্দোনেশিয়া। উদ্দেশ্য স্থানীয় বাজারে পাম অয়েলের সরবরাহ বাড়ানো ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা। কিন্তু গত মাসের শেষ দিকে এ নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয়া হয়। দেশটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি বাড়ানোর শর্তে আবারো রফতানি শুরু করেছে।
বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক দেশটি শুক্রবার ২১টি কোম্পানিকে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৪ টন পাম অয়েল রফতানির ছাড়পত্র দেয়।



