শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
down of head

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে উভয় দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন করা প্রয়োজন। স্থলবন্দরগুলোয় অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে আমদানি-রফতানিতে যেমন সময় বেশি লাগছে তেমনি বাড়ছে বাণিজ্য ব্যয়ও। ফলে বাণিজ্যিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।

গতকাল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সফররত ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রতিনিধি দলের সদস্যদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন মতামত ব্যক্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান ও ডিসিসিআইয়ের সদস্যরা।

ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, দুদেশের স্থলবন্দরগুলোতে অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে পণ্য আমদানি-রফতানিতে সময় বেশি লাগছে। যার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থা নিরসনে উন্নত অবকাঠামো নিশ্চিতকরণে উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভারতীয় উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে এরই মধ্যে প্রায় ৩ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে। এ সময় কলকাতার উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য বিশেষ জোরারোপ করেন এ ব্যবসায়ী নেতা। বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ আরো বাড়াতে নন-ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা, রুলস অব অরিজিনের সহজীকরণ এবং দুদেশের মধ্যকার ‘কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষরের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন রিজওয়ান রাহমান।

পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে উন্নত অবকাঠামোর কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকার খুঁজে বের করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে ঢাকা চেম্বার এবং ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স যৌথভাবে গবেষণা পরিচালনা করতে পারে বলে মনে করেন রাজ্যের এ মন্ত্রী।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, পাটপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের দক্ষতা বেশ ভালো এবং বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আরো সম্প্রসারণে দুদেশের ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধা কাজে লাগানোর ওপর তিনি মত প্রকাশ করেন।

অপরদিকে, একই দিন পশ্চিমবঙ্গ সফররত ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের (ডব্লিউবিআইডিসি) চেয়ারম্যান রাজীব সিনহার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে যোগাযোগ অবকাঠামো, প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা এবং বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধিদের মিথস্ক্রিয়া আরো বাড়ানোর আহ্বান জানান রাজীব সিনহা। বিশেষ করে দুদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবসায়িক কার্যক্রমে আরো বেশি মাত্রায় গতি আনবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ডব্লিউবিআইডিসির এ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

এছাড়া প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত বিটুবি ম্যাচ-মেকিংয়ে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল চেম্বারের সভাপতি সুবীর চক্রবর্তী জানান, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল এবং বাংলাদেশের মধ্যকার যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে ভারতের আগ্রহ রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন বিভাগের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দীনী চক্রবর্তী এবং কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। যেখানে যোগাযোগ সহজীকরণ, নীতি সহায়তা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো নিরসন প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সম্পর্কিত খবর