ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে চিনির বৈশ্বিক বাজার
ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে রূপ নিতে যাচ্ছে চিনির বৈশ্বিক বাজার। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও)। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
আইএসও সম্প্রতি চিনির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ত্রৈমাসিক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে করা প্রক্ষেপণে দেখা গিয়েছে, ২০২১-২২ মৌসুমে চিনির ১৯ লাখ ২০ হাজার টনের বৈশ্বিক ঘাটতি ২ লাখ ৩৭ হাজার টন উদ্বৃত্তে পরিণত হতে যাচ্ছে।
পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যালান্সে এমন পরিবর্তনে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন। আইএসও সর্বশেষ প্রতিবেদনে চিনির বৈশ্বিক উৎপাদন পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে করা পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন ৩৫ লাখ ১০ হাজার টন বাড়তে পারে। এ বছর মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৭ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার টনে।
শুধু তাই নয়, পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার পূর্বাভাসও বাড়ানো হয়েছে। বছর শেষে ব্যবহার ১৩ লাখ ৪০ হাজার টন বেড়ে ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।
তথ্য বলছে, চলতি বছরের অক্টোবরে চিনির নতুন বিপণন মৌসুম শুরু হয়ে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। আইএসওর প্রত্যাশা, নতুন এ মৌসুমে চিনির বৈশ্বিক উদ্বৃত্ত আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৭ লাখ ৭০ হাজার টনে। ওই বছর উৎপাদন হবে ১৭ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টন চিনি। ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৭ কোটি ৪৬ লাখ টনে।
আইএসও প্রতিবেদনে জানায়, বর্তমানে চিনির বাজার পরিস্থিতিতে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো এশিয়ার দেশগুলোয় দুই বছর ধরে ভালো উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি চলতি বছর খরার প্রভাব কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছে ব্রাজিলও।



