শিরোনাম
icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন
down of head

ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে চিনির বৈশ্বিক বাজার

ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে রূপ নিতে যাচ্ছে চিনির বৈশ্বিক বাজার। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন (আইএসও)। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

আইএসও সম্প্রতি চিনির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ত্রৈমাসিক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে করা প্রক্ষেপণে দেখা গিয়েছে, ২০২১-২২ মৌসুমে চিনির ১৯ লাখ ২০ হাজার টনের বৈশ্বিক ঘাটতি ২ লাখ ৩৭ হাজার টন উদ্বৃত্তে পরিণত হতে যাচ্ছে।

পণ্যটির বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যালান্সে এমন পরিবর্তনে প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন। আইএসও সর্বশেষ প্রতিবেদনে চিনির বৈশ্বিক উৎপাদন পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে করা পূর্বাভাসের তুলনায় উৎপাদন ৩৫ লাখ ১০ হাজার টন বাড়তে পারে। এ বছর মোট উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৭ কোটি ৪০ লাখ ২০ হাজার টনে।

শুধু তাই নয়, পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার পূর্বাভাসও বাড়ানো হয়েছে। বছর শেষে ব্যবহার ১৩ লাখ ৪০ হাজার টন বেড়ে ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।

তথ্য বলছে, চলতি বছরের অক্টোবরে চিনির নতুন বিপণন মৌসুম শুরু হয়ে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হবে। আইএসওর প্রত্যাশা, নতুন এ মৌসুমে চিনির বৈশ্বিক উদ্বৃত্ত আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়াবে ২৭ লাখ ৭০ হাজার টনে। ওই বছর উৎপাদন হবে ১৭ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টন চিনি। ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৭ কোটি ৪৬ লাখ টনে।

আইএসও প্রতিবেদনে জানায়, বর্তমানে চিনির বাজার পরিস্থিতিতে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ভারত ও থাইল্যান্ডের মতো এশিয়ার দেশগুলোয় দুই বছর ধরে ভালো উৎপাদন হচ্ছে। এমনকি চলতি বছর খরার প্রভাব কাটিয়ে ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছে ব্রাজিলও।

সম্পর্কিত খবর