পিপলস লিজিংয়ের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ ৫৯ দফায় বাড়ল
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের (পিএলএফএসএল) শেয়ার লেনদেন বন্ধের মেয়াদ আরো এক দফায় বাড়ানো হলো। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন আরো ১৫ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে ৫৯ দফায় কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধের সময় বাড়ানো হলো। আজ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০১৯ সালের ১৪ জুন পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার লেনদেন প্রথমবারের মতো স্থগিত করে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। লিস্টিং রেগুলেশনের ধারা ৫০(১) অনুসারে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ১৫ দিন পর পর এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে। ৫৯তম দফায় ৯ মার্চ থেকে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবস কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত করা হলো।
লিস্টিং রেগুলেশনের ধারা ৫০(১) অনুসারে, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানি লিস্টিং রেগুলেশনের বিধান লঙ্ঘন করলে কিংবা কোম্পানির শেয়ারদরে প্রভাব পড়তে পারে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে ঘাটতি থাকলে স্টক এক্সচেঞ্জ সেই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করতে পারবে। আর লিস্টিং রেগুলেশনের ধারা ৫০(৩) অনুসারে, প্রথম দফায় ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। পরবর্তী সময়ে স্টক এক্সচেঞ্জ চাইলে আরো ১৫ কার্যদিবসের জন্য এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়াতে পারবে।
এর আগে গত নভেম্বর দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিংয়ের কার্যক্রম চালু করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে ৮০০তম কমিশন সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কোম্পানিটির নয় বছরের আর্থিক প্রতিবেদন বিশেষ নিরীক্ষার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি। বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগের জন্য সম্প্রতি দরপত্রও আহ্বান করেছে সংস্থাটি। নয় মাসের মধ্যে বিশেষ নিরীক্ষা সম্পন্ন কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।


