শিরোনাম
icon চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানি ১০ কনটেইনার তামাক আটক icon জাপান সফর শেষে রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী icon ইউনিক হোটেলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এস্কয়ার নিটের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ভিএফএস থ্রেডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ফার কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিক আন্দোলন icon জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড icon সংকটে তাঁতশিল্প, বন্ধ প্রায় ১ লাখ তাঁত icon আইএমএফের ডিএমডি হচ্ছেন চীনা উপমন্ত্রী icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৫ icon অগ্নি সিস্টেমসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon জেনেক্স ইনফোসিসের লভ্যাংশ ঘোষণা icon খুলনা পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ভরিতে বাড়ল সোনার দাম icon ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২
down of head

৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা পাচার ঠেকাল চট্টগ্রাম কাস্টমস

ফিলিপাইনে রফতানির অপেক্ষায় থাকা চারটি পোশাকের চালানে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৮ টাকা পাচারের অপচেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ । চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রফতানির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের কেডিএস লজিস্টিকস লিমিটেড নামের বেসরকারি ডিপোয় এসব চালানের পণ্য কনটেইনারে লোড করা হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্যমতে, রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ৬৯ প্লটের রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স ঠিকানার আরএম সোর্সিং বাংলাদেশ। রফতানিকারকের পক্ষে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে চট্টগ্রামের ১৬৮ সদরঘাট ঠিকানার বেঙ্গল প্রগ্রেসিভ এন্টারপ্রাইজ। চারটি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে এলসি খোলা হয়েছে আইএফআইসি ব্যাংকে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর শাখা রফতানির অপেক্ষায় থাকা চারটি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে পণ্যের চালান আটক করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করে। এসব চালানে রফতানিকারকের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল ২৪ হাজার ৩৪৪ পিসের (প্রতি চালানে ৬ হাজার ৮৬ পিস করে) মোট ২৯ লাখ ৬০ হাজার ২৪৮ টাকা মূল্যের (প্রতি পিসের ঘোষিত মূল্য ১ দশমিক ২৩ ইউরো) পণ্য রফতানি হবে। কিন্তু কায়িক পরীক্ষা চালিয়ে কাস্টমস উদ্ঘাটন করে চারটি চালানে প্রকৃতপক্ষে কাপড় আছে মোট ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৯৭৮ পিস। সে অনুযায়ী চালান চারটিতে প্রকৃতপক্ষে মোট ৬ কোটি ৯২ লাখ ২৭ হাজার ৯৫২ টাকা প্রাপ্তি হয়। এ হিসেবে ঘোষণাতিরিক্ত পণ্য রফতানির মাধ্যমে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৮ টাকা পাচারের চেষ্টা করে রফতানিকারক।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন রিজভী বলেন, ‘রফতানিকারকের পক্ষ থেকে সঠিক ঘোষণা না দিয়ে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা পাচারের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১১৩টি পণ্যচালান রফতানি করে। এখন এসব চালানেও ঘোষণাতিরিক্ত পণ্য রফতানির মাধ্যমে অর্থপাচার হয়েছে কিনা তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশ অনুযায়ী এ জালিয়াতির ব্যাপারে কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এবং প্রচলিত অন্যান্য আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর