শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

খুলনায় পেঁয়াজ ৩০০ টাকা!

খুলনা নগরীতে কেজি প্রতি পেঁয়াজ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি প্রতি ঘণ্টায় এই দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, খুলনার ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন পাইকারী কাঁচা বাজারে শুক্রবার পেঁয়াজ বিক্রি হয় ২৫০ টাকা দরে। চিকন চালের বাজারও উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। ১০ দিনের ব্যবধানে চালের দাম কেজি প্রতি ৭-৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেসার্স সোনালী ভাণ্ডারের মালিক আবদুল জলিল বলেন, শুক্রবার বড় আকৃতির পেঁয়াজ ২৫০ টাকা এবং ছোট আকৃতির পেঁয়াজ ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, আড়ত থেকে প্রতিদিন পেঁয়াজ কিনে নিয়ে বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারে বিক্রি করেন। তার ব্যবসাজীবনে পেঁয়াজের এতো দাম কখনো দেখেননি।

এদিকে জিদান ভাণ্ডারের মালিক শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “ফরিদপুর পেঁয়াজের মোকাম থেকে ১৪ নভেম্বর মণ প্রতি পেঁয়াজ ৮ হাজার ২০০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। ১৫ নভেম্বর তার দাম হয়েছে ৯ হাজার ৬০০ টাকা। দাম বৃদ্ধির কারণে জরিমানা ও হয়রানির ভয়ে অনেকে হাত-পা গুটিয়ে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।”

খুলনা মহানগরীর গোবরচাকা বৌ বাজারে পেঁয়াজ ক্রেতা সুমাইয়া আক্তার জানান, বৃহস্পতিবার ১৮০ টাকায় পেঁয়াজ কেনেন। আর শুক্রবার এসে দাম দেখেন ৩০০ টাকা। এতে তিনি হতবাক হয়েছেন।

খুলনা জেলা বাজার কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম তরফদার জানান, খুলনায় মাত্র দুজন পেঁয়াজ আমদানিকারক রয়েছেন। তারা পেঁয়াজ আমদানি করতে ভয় পাচ্ছেন। কারণ মিশর থেকে আমদানি করার পর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত যদি হঠাৎ কম দামে পেঁয়াজ ছেড়ে দেয়, তহালে আমদানিকারকরা ক্ষতির মুখে পড়বেন। তারপরও অনুরোধের ফলে খুলনার একজন মিশর থেকে ১১৬ টন পেঁয়াজ কিনেছেন, যা খুব শিগগিরই খুলনায় পৌঁছাবে।

আব্দুস সালাম তরফদার আরও বলেন, “খুলনায় যে পরিমাণ পেঁয়াজ প্রয়োজন তার ৫০ শতাংশই কিনতে হচ্ছে উচ্চমূল্যে। আমাদের বাজার মনিটরিং রয়েছে। কিন্তু বাজারে পণ্য সামগ্রীর যোগান থাকা প্রয়োজন।”

এদিকে চালের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেটের খুচরা চাল বিক্রেতা শফিউল আজম আদু বলেন, ১০ দিন আগে জিরা মিনিকেট চালের পাইকারী মূল্য ছিল ৩৪ টাকা কেজি, যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। আর খুচরা বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা কেজি। কাজল লতা চালের পাইকারী মূল্য ছিল ৩১ টাকা কেজি। সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৭ থেকে ৩৮ টাকা এবং খুচরা দাম ৪০ টাকা কেজি। বাশমতি চালের পাইকারী দর কেজি প্রতি ৪০ টাকা, তা এখন খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। এছাড়া তনু রাজ চাল ৩৭ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ থেকে ৪১ টাকা।

সম্পর্কিত খবর