শিরোনাম
icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon স্টাইল ক্রাফটের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প স্থগিত icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon আবারও কমল সোনার দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৯৮ জন icon চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
down of head

সেন্ট্রাল ব্যাংকের রিজার্ভ ফেরত চায় তালেবান সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ও ইউরোপের অন্যান্য ব্যাংকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জমা রয়েছে আফগানিস্তানের। কিন্তু গত আগস্টে তালেবান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পরে এসব অর্থ ফ্রিজ হয়ে পড়ে। সেন্ট্রাল ব্যাংকের রিজার্ভে জমা থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ছাড় করতে এখন চাপ দিচ্ছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। যদিও গত আগেস্টেই যুক্তরাষ্ট্র এ অর্থ দেবে না বলে জানিয়েছিল। একই মত ছিল জার্মানিরও।

তালেবান ক্ষমতা দখলের পরে খরা-পীড়িত দেশটি নগদ অর্থের সংকট, ব্যাপক অনাহার ও নতুন অভিবাসন সংকটের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে।

তালেবানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমদ ওয়ালি হেকমল রয়টার্সকে বলেন, ওই অর্থ আফগান জাতির। আমাদের টাকা আমাদেরকে দিয়ে দিন। এসব টাকা ফ্রিজ করা (আটকে রাখা) অনৈতিক এবং সব আন্তর্জাতিক আইন ও মূল্যবোধের পরিপন্থী।

অর্থনৈতিক ধস ও সেটার ফলে ইউরোপের দিকে প্রবল অভিবাসন ঠেকাতে সেন্ট্রাল ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জার্মানিসহ ইউরোপীয়ান দেশগুলোকে তাদের জমার অংশ ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আফগান সেন্ট্রাল ব্যাংকের বোর্ড সদস্য শাহ মেহরাবি রয়টার্সকে বলেন, পরিস্থিতি মরিয়া হয়ে উঠছে। নগদ অর্থের পরিমাণ হ্রাস পাচ্ছে। এখন আফগানদের বছর শেষ করার জন্য যথেষ্ট অর্থ আছে। কিন্তু টাকা না পেলে ইউরোপের উপর আঘাত সবচেয়ে তীব্র হবে। কারণ খাবারের টাকা না থাকলে অনেকেই ইউরোপের পথে পাড়ি জমাবে।

মেহরাবি জানান, আসন্ন সঙ্কট নিরসনে আফগানিস্তানের প্রতিমাসে ১৫০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।

জার্মান ঋণদাতা কমার্জ ব্যাংকে ৪৩১ মিলিয়ন ডলার, জার্মানির সেন্ট্রাল ব্যাংকে ৯৪ মিলিয়ন ডলার ও দি ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টসে ৬৬০ মিলিয়ন ডলার জমা আছে আফগানিস্তানের। তবে ব্যাংকগুলো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

 

 

সম্পর্কিত খবর