শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

৬ মাসে রেমিট্যান্স বাড়ল ১৩.১ শতাংশ

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি এনে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ২২০ কোটি ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পর্যালোচিত ছয় মাসের মধ্যে মোট পাঁচ মাসেই প্রবাসী আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে গত আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি বছরের মার্চে ৩৭৫ কোটি ডলার আসার পর এপ্রিলে ৩১৩ কোটি এবং মে মাসে এসেছে ৩৪৩ কোটি ডলার। জুনে প্রবাহ কিছুটা স্থির (২৮১ কোটি ডলার) থাকলেও জুলাইয়ে তা আবার বেড়ে ২৮৬ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এরপর আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ডলার।

এই ছয় মাসে দেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ৩০৮ কোটি ৮ লাখ ডলার এসেছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে ২৯৪ কোটি ২ লাখ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৬ কোটি ৭২ লাখ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৭১ কোটি ৬৫ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ১৪৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। মূলত এই পাঁচ দেশ থেকেই মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ আয় পরিবাহিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের ওপর প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিতে আরও স্থায়িত্ব আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্পর্কিত খবর