শিরোনাম
icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
down of head

১০ মাসে ৮ কোটি কেজি চা উৎপাদন

 

চলতি বছর ৭ কোটি ৪১ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল চা বোর্ড। তবে ১০ মাসেই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে উৎপাদন। বছরের সর্বশেষ দুই মাস ধারাবাহিক উৎপাদন হলে ১০ কোটি কেজি ছাড়াবে চায়ের বার্ষিক উৎপাদন। গত অক্টোবর পর্যন্ত উৎপাদন হয়েছে ৭ কোটি ৯০ লাখ কেজির বেশি চা। বিলম্বিত বৃষ্টিপাতের কারণে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের উৎপাদনও গত বছরের চেয়ে বেশি হবে। ফলে এ বছর ১০ কোটি কেজি ছাড়িয়ে যেতে পারে চায়ের উৎপাদন।

অনুকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি চা উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাগানগুলোর নানামুখী পদক্ষেপের কারণে দেশে চা খাত স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে দেশে চা উৎপাদন হয়েছিল ৮ কোটি ৫০ লাখ কেজি। এরপর ২০১৭ সালে প্রায় ৭ কোটি ৯০ লাখ কেজি এবং ২০১৮ সালে ৮ কোটি ২০ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়। উৎপাদন বৃদ্ধির এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে উৎপাদন হয়েছে ৭ কোটি ৯০ লাখ ৩৪ হাজার কেজি চা। ২০১৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ১ কোটি ৫০ লাখ ৬২ হাজার কেজি এবং ২০১৮ সালের শেষ দুই মাসে ১ কোটি ৫৪ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়েছিল। তবে চলতি মৌসুমের শেষ দিকে দেশজুড়ে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে নভেম্বর-ডিসেম্বরের চা উৎপাদন বিগত বছরের শেষ দুই মাসের উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানতে চাইলে চা বোর্ডের উপপরিচালক (পরিকল্পনা) মুনির আহমেদ জানান, রুগ্ণ বাগানগুলোকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে চা বোর্ড নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধির কারণে চাহিদা মেটাতে দেশীয় চায়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে ব্র্যান্ডেড কোম্পানিগুলো। পাশাপাশি অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কয়েক বছরের মতো এ বছরও চায়ের উৎপাদন রেকর্ড ছাড়াবে।

 

সম্পর্কিত খবর