শিরোনাম
icon শীতের সবজি বাজারে, বিপাকে ক্রেতারা icon নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম icon ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী icon স্বাস্থ্যবীমার দাবি পরিশোধ করল বেঙ্গল ইসলামী লাইফ icon যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পিএইচপি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন icon প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে ২৯৬ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের তাগিদ icon হঠাৎ কনের সাজে সাদিয়া আয়মান icon হামের উপসর্গে ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৩১৫ জন icon পে-স্কেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৮ নির্দেশনা icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon সূচকের পতনে লেনদেন ৫৬৪ কোটি টাকার icon চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানি ১০ কনটেইনার তামাক আটক icon জাপান সফর শেষে রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী icon ইউনিক হোটেলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এস্কয়ার নিটের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ভিএফএস থ্রেডের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ফার কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিক আন্দোলন icon জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon এসিআইয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা icon হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড icon সংকটে তাঁতশিল্প, বন্ধ প্রায় ১ লাখ তাঁত icon আইএমএফের ডিএমডি হচ্ছেন চীনা উপমন্ত্রী icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৫
down of head

শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ আনার বড় সুযোগ রয়েছে: গভর্নর

রাজস্ব আহরনে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে শেয়ারবাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, বিদেশি অর্থায়ন শুধু প্রত্যক্ষ বিনিয়োগে সীমাবদ্ধ নয়, শেয়ারবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আনার বড় সুযোগ রয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে কেয়ার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার: ড্রাইভিং ডেভেলপমেন্ট উইথ মার্কেটস, ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য নিজস্ব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। একসময় বিদেশি সহায়তা জিডিপির ১২-১৪% থাকলেও বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। তাই দেশের উন্নয়নে এখন অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ জোগাড় করতে হবে।

গভর্নরের মতে, অর্থনীতিতে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং উদ্ভাবন ও আর্থিক শিক্ষা বিস্তার। তিনি বলেন, “আমরা জানি ব্যাংক খাতের কী অবস্থা। একে স্থিতিশীল করতে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে ৩ থেকে ৪ বছর সময় লাগবে।”

তিনি আরও বলেন, ঋণ গ্রহণে স্বচ্ছতা, ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি এবং এজেন্ট ব্যাংকিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ক্ষুদ্র ঋণের প্রসারের কথা উল্লেখ করে গভর্নর জানান, “প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে।”

গভর্নরের মতে, এখন সময় এসেছে উন্নয়ন সহযোগীর ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব বাজারভিত্তিক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার, যেখানে শেয়ারবাজারর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

সম্পর্কিত খবর