শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি নিয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি মন্ত্রণালয়: এ কে মোমেন

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। কারণ, কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বলেছিল, রাখাইন এলাকাগুলোতে অনিশ্চয়তা আছে। তারা তখন একটু বাধা দিল। এটার সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তারাও ওই কথায় নাচলেন। ফলে সেই কাজটা আর হয়নি।

শুক্রবার ন্যাম ভবনে নিজ বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কে আব্দুল মোমেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এখনতো অন্যরকম অবস্থা হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের জন্য পদ্ধতিটা চালু করেছিলাম। সেটি এখনো চলমান আছে। তবে কতদূর অগ্রগতি হয়েছে, এই মুহূর্তে আমি জানি না। এই বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তারা (মন্ত্রণালয়) কেউ এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি এ. কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শাহরিয়ার আলম, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন), নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাবিবুর রহমান, সাইমুম সারওয়ার কমল ও জারা জাবীন মাহবুব।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের অনেক দেশে মিশনে রাষ্ট্রদূতদের টেলিফোন আছে। উনি ওখান থেকে বদলি হয়ে গেলে টেলিফোনটা সঙ্গে করে নিয়ে যান। এর ফলে অনেক লোক টেলিফোনে পান না। এজন্য আমরা বলেছি, প্রত্যেক মিশনে ইউনিক সেলফোন থাকতে হবে। ওই মিশনের রাষ্ট্রদূতদের একটি ইউনিক সেল ফোন থাকলে সাধারণ জনগণের যোগাযোগ করতে সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা গত নির্বাচনের আগে দেখেছি আমাদের স্টেকহোল্ডার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা গভীর নয়। সে জন্য আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দিয়েছি যে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার দেশের আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অন্যান্য দেশের কমিটির সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন করা। আর বিদেশি মেহমানরা এলে, তাদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলেছি।’

মোমেন বলেন, ‘গত নির্বাচনের আগে মানবাধিকার ইস্যুতে খুব হইচই হতে দেখেছি। ভবিষ্যতেও হয়তো এসব ইস্যুতে হইচই করার সম্ভাবনা আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট উইং করার প্রয়োজন আছে কিনা সেটা যাচাইবাছাই করার প্রস্তাব দিয়েছি। তারা যাচাই বাছাই করে এর প্রয়োজন আছে কিনা এবং অন্যান্য দেশে এ ধরনের উইং আছে কিনা সেটা জানাবেন।

সম্পর্কিত খবর