শিরোনাম
স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি কোম্পানি তালিকাভুক্তির বিধিনিষেধ প্রত্যাহারডেঙ্গুতে আরও ৯ মৃত্যু, ভর্তি ১,৯০২তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্বিগুণমিউচুয়াল ফান্ডে এনএভি বিবেচনার আহ্বান বিএসইসিরবন্ডের ১৩.৩৫ লাখ কেজি কাঁচামাল উধাওসূচকের পতনে লেনদেন ৫৩৭ কোটি টাকারসিএন্ডএ টেক্সটাইলের কারখানা বন্ধ পেল ডিএসইনিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীডিএমপির অভিযানে গ্রেফতার ৪১৪সোনার দাম কমলনোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু আজরাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২০৮৯ফের বাড়ল এলপিজির দাম৯২% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য
down of head

মেঘনা লাইফে উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি’র “নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও তামাদি পলিসি চালুকরণ সংক্রান্ত” একটি উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সারাদেশ থেকে আগত কোম্পানীর বিভিন্ন স্তরের উন্নয়ন কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি-এর ৩০ বছর পদার্পণ উপলক্ষ্যে সেপ্টেম্বর ২০২৬ হতে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ৪ মাস ব্যাপি “নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ উৎসব” নামে বিশেষ একটি ক্যাম্পেইন শুরু করা হয়েছে। যে সকল মাঠ-কর্মী সেপ্টেম্বর মাসের নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও তামাদি/পেইড-আপ পলিসি চালুর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে তাদেরকে উক্ত সভায় পুরষ্কৃত করে উৎসাহ প্রদান করা হয়।

মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য জনাব নিজাম উদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নবায়ন প্রিমিয়াম হলো লাইফ বীমার মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু লাইফ বীমা খাতে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের চেয়ে প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহের উপর অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। ফলে একটি বড় অংশের পলিসি তামাদি ও পেইড-আপ হয়ে যাচ্ছে, যা বীমা খাতের সমস্যা বৃদ্ধির একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ এবং তামাদি ও পেইড-আপ পলিসি চালু করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।”

উল্লেখ্য, মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি বিগত বছর সমূহে ৪৪২৮.৫০ কোটি টাকার বীমা দাবী পরিশোধের মাধ্যমে পলিসিহোল্ডারদের আস্থা অর্জন করেছে। ২০২৫ সালে কোম্পানী ২৮৬.৭৮ কোটি টাকা দাবী পরিশোধ করেছে এবং দাবী পরিশোধের হার ৯৮.৭৪%। ২০২৬ সালে জানুয়ারী হতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাবী পরিশোধ করেছে ১৯৪.১৮ কোটি টাকা। কোম্পানী মৃত্যু দাবীসহ সকল বীমাদাবীর অর্থ পলিসিহোল্ডারদের ব্যাংক একাউন্টে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বিইএফটিএন ও আরটিজিএস এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়ে থাকে। এ প্রক্রিয়ায় পলিসিহোল্ডারগণ ঘরে বসেই বীমা দাবীর টাকা পেয়ে থাকেন।

উক্ত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কোম্পানীর ভাইস চেয়ারম্যান ও বিআইএ এর সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল), কোম্পানীর পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারেক এফসিএ, কনসালটেন্ট ও হেড অব মার্কেটিং জয়নাল আবেদীন ভূঁঞা এফএলএমআই এবং কোম্পানীর উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ।

সম্পর্কিত খবর