প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
মিথ্যা সংবাদে বীমা খাতে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা চলছে
‘শহিদুল ইসলামের বিএ-এমএ সনদের বৈধতা নেই’ – অনলাইন নিউজ পোর্টালে এমন সংবাদের প্রকাশের নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর প্রস্তাবিত সিইও শহিদুল ইসলাম ।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও (প্রস্তাবিত) স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করা হয়, বীমা খাতের আইকন ও দেশ সেরা জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড যখন ব্যবসায়ীক সফলতার পথে এগিয়ে চলছে– ঠিক তখন প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন এবং অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল অব্যাহতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে ‘‘অতিরঞ্জিত, মিথ্যা, বানোয়াট গল্প’ পরিবেশন করছে। এসব মনগড়া, অসঙ্গতিপূর্ণ ও আংশিক সংবাদ পরিবেশন করে বীমা খাতে বিশৃঙ্খলনা তৈরীর চেষ্টা চলছে।
এই সংবাদটির ব্যাপারে আমাদের বক্তব্য হলো, পত্রিকার প্রতিনিধি সঠিক তথ্য যাচাই না করেই ভুল তথ্য উপস্থাপন করে প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত সিইও কে জড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করছেন।
শহিদুল ইসলাম বলেন, নিউজ পোর্টালের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ধানমন্ডি ক্যাম্পাস থেকে আমার সনদ যাচাই এর জন্য সংশ্লিষ্টরা পাঠিয়েছেন এবং তারা জানিয়েছেন সনদ দু’টি ধানমন্ডি ক্যাম্পাস থেকে ইস্যু করা হয়নি। তাদের মতামত সঠিক- আমি পড়াশোনা করেছি মিরপুর ক্যাম্পাস থেকে। আমার সকল সার্টিফিকেট মিরপুর ক্যাম্পাস থেকে ইস্যু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১৫ সালে অনলাইন ও সরাসরি ভেরিফিকেশন করা কপি আমার কাছে সংরক্ষিত আছে।
বিষয়টি হচ্ছে, দারুল ইহসান কতৃর্পক্ষ ৪ গ্রুপে বিভক্ত হওয়ায় ২০১৬ সালে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রতিষ্ঠানটির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কোর্টের রায় অনুযায়ী কোন গ্রুপ বা ক্যাম্পাসের সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়নি। এজন্য সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রী দায়ী নয়- তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমন ঘোষণাও করেছেন। যা দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিক পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রচারিত হয়। এসব নিউজের কপি আমাদের কাছে এখনো সংরক্ষিত আছে।
শহিদুল ইসলাম আরো জানান, যখন দেশ সেরা প্রতিষ্ঠান ডেল্টা লাইফের সিইও হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে আইডিআরএর কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে- ঠিক তখনই একটি মহল চক্রান্ত শুরু করে। বিষয়টি হচ্ছে, আমার পেশাগত দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৭ সালে অনার্সে ভর্তির রেজিষ্ট্রেশন, ৪ বৎসরে ১২ টি সেমিষ্টার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের এডমিড কার্ড, মার্ষ্টারস এ ভর্তির রেজিষ্ট্রেশন, ১ বৎসরে ৩ টি সেমিষ্টার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের এডমিড কার্ড, মার্কসীট, প্রসংশা পত্র সংযুক্ত করে সিইও হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেছি। শুধুমাত্র আমি নই, এই ক্যাম্পাস থেকে পাশ করা হাজারো ছাত্র-ছাত্রী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। তাই আমারও দেশের বীমা খাতের কোন প্রতিষ্ঠানে মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেতে আইনগত জটিলতা নেই।
মূলত, ২/১ টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল আমার কাছে আর্থিক সুবিধা চেয়ে, তা না পেয়ে- জীবন বীমা শিল্পে আমার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ও সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আমি এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যারা পরিকল্পিতভাবে আমার ৩০ বৎসরের সফল পেশাগত জীবনের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত-তাদের বিরুদ্ধে কঠিন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।


