ভিয়েতনামের কফি রফতানি ১১ মাসে ২.৩% কমেছে
বিশ্বের শীর্ষ রোবাস্তা কফি উৎপাদক দেশ ভিয়েতনাম। এ জাতের কফি রফতানিতেও দেশটি নেতৃস্থানীয়। তবে চলতি বছর করোনা মহামারীর প্রভাব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কফি রফতানি খাত।
বাজার বিশ্লেষকরা জানান, গত বছর থেকেই ভিয়েতনামের কফি উৎপাদন ও রফতানি চ্যালেঞ্জের মুখে। এর মধ্যে চলতি বছর করোনা ডেল্টা ধরনের কারণে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হলে দেশটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম মন্থর হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ধস নামে কফি রফতানিতে।
ভিয়েতনামের শুল্ক বিভাগের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত ভিয়েতনাম ১৪ লাখ টন কফি আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি কমেছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ। তবে রফতানি কমলেও ঊর্ধ্বমুখী বাজারদরের কারণে বেড়েছে রফতানি আয়। ১১ মাসে ভিয়েতনাম কফি রফতানির মাধ্যমে ২৭০ কোটি ডলার আয় করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ। এদিকে ১১ মাসে কমলেও নভেম্বরে ভিয়েতনামের কফি রফতানি আগের মাসের তুলনায় ৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৪৭৩ টনে।
কফির পাশাপাশি চাল রফতানিতে অন্যতম শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম। বছরের ১১ মাসে কৃষিপণ্যটির রফতানি প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। এ সময় ৫৭ লাখ টন চাল রফতানি করে ভিয়েতনাম, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। তবে অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে চাল রফতানি কমেছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এ সময় দেশটি সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৩৫৮ টন চাল রফতানি করে।



