বাণিজ্যিক উৎপাদনে এনার্জিপ্যাকের বিদ্যুৎকেন্দ্র
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার ভেঞ্চার ঠাকুরগাঁও লিমিটেডের (ইপিভিটিএল) এইচএফওভিত্তিক ১১৫ মেগাওয়াট ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্লান্টের (আইপিপি) বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনসংক্রান্ত ১৫ বছরের প্রাথমিক চুক্তি করেছে ইপিভিটিএল। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে এ উৎপাদন শুরুর কথা জানিয়েছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৩৯ পয়সা। সে হিসাবে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস কমেছে ৮ পয়সা বা ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ। অন্যদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৭২ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা। যেখানে আগের বছরে সমন্বিত ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির পুনর্মূল্যায়িত সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৭২ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৩৮ কোটি ৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ২১৬। এর মধ্যে ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং বাকি ২৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৩৯ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৩৪ টাকা ৩০ পয়সা ও ৫৭ টাকা ৮০ পয়সা।
সর্বশেষ নিরীক্ষিত ইপিএস ও বাজারদরের ভিত্তিতে এ শেয়ারের মূল্য-আয় (পিই) অনুপাত ১৯ দশমিক ৬৬, হালনাগাদ অনিরীক্ষিত মুনাফার ভিত্তিতে যা ২২ দশমিক ৮৪।



