শিরোনাম
icon মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা, আন্দোলন নয় icon বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার কোটি টাকা icon ঢাকায় বাস রুটে বড় পরিবর্তন icon মালয়েশিয়াগামীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার icon ২০৩০ পর্যন্ত কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ icon কোন বোর্ডে পাসের হার কত? icon সোনার দামে বড় পতন icon এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ icon কৃষিঋণ মওকুফে চাঙা গ্রামীণ অর্থনীতি icon এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানবেন যেভাবে icon সংঘাত দীর্ঘ হলে বাড়বে মূল্যস্ফীতি icon কমলা শাড়িতে মোহনীয় পরীমনি icon ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,২৬২ icon বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা icon পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু icon রূপপুরে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু icon কমলো সোনার দাম icon এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ল ৩ বছর icon শীতের সবজি বাজারে, বিপাকে ক্রেতারা icon নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম icon ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল জয়ী icon স্বাস্থ্যবীমার দাবি পরিশোধ করল বেঙ্গল ইসলামী লাইফ icon যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের পিএইচপি শিপব্রেকিং ইয়ার্ড পরিদর্শন icon ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৮৬ জন icon প্রকৃতি পুনরুদ্ধারে ২৯৬ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের তাগিদ
down of head

ফলের বাজারে স্বস্তি নেই, ডাবের দাম ২২০ টাকা

বাজারে দেশি-বিদেশি প্রায় সব ধরনের ফলের দাম বেড়েছে। ডাব থেকে শুরু করে আপেল, নাশপাতি, মাল্টা, কমলা, পেঁপে ও কলাসহ বিভিন্ন ফল বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দামও বেড়েছে। ফলে পুষ্টিকর ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১২০, ১৫০ ও ১৯০ টাকা দরে। বড় আকারের ডাবের দাম উঠেছে ২২০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

শুধু ডাব নয়, বিদেশি ফলের দামও বেশ চড়া। তালতলা মার্কেটে সবুজ আপেল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, নাশপাতি ৩০০, মাল্টা ২৮০ এবং কমলা ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রাঙামাটির পাকা পেঁপে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, টাঙ্গাইলের বড় সাগরকলা ১৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের কলা ১২০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা রুবেল হাসান বলেন, বাজারে ফলের দাম কিছুটা বেড়েছে। ডাবের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো মানের ডাবের দামও বেশি। বিদেশি ফলও আগের তুলনায় বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এর প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। পরিবহন খরচ ও নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও ফলের দামে যুক্ত হচ্ছে।

বাড়তি দামের কারণে ফল কিনতে এসে হিসাব করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তালতলা মার্কেটের ক্রেতা রাকিব বলেন, আগে যে পরিমাণ ফল কিনতেন, এখন একই টাকায় তার চেয়ে কম নিতে হচ্ছে। পছন্দের ভালো ডাব ২০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন। পরিবারের প্রয়োজনেই কিনতে হচ্ছে, তবে দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে।

বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও দামে স্বস্তি ফিরছে না। বিশেষ করে ডাবের মতো চাহিদাসম্পন্ন ফলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গরমের সময়ে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়ছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ফল বা ডাব কিনতে হয়—এমন পরিবারগুলোকে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজারে ফলের সরবরাহ থাকলেও বাড়তি দামে স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা।

সম্পর্কিত খবর