দেশীয় সমুদ্রগামী জাহাজে করছাড় খাতটিকে উৎসাহিত করবে
বাজেটে বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজে ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় দেয়াকে এ শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছে শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (এসসিবি)। পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান ঋণের ক্ষেত্রে সরকারের আরো সচেতন হওয়া উচিত বলে মনে করে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানায় সংগঠনটি।
প্রতিক্রিয়ায় এসসিবি জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজ চলাচল উৎসাহিত করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত করমুক্ত করা হয়েছে। এতে এ সেক্টরে নতুন বিনিয়োগে আশার সঞ্চার হবে। সংগঠনটি জানায়, করপোরেট করহার হ্রাসে বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে; কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রফতানি বহুমুখীকরণ সম্প্রসারিত হবে।
এবারের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজ কর্তৃক বহির্বিশ্বে সেবা প্রদানের বিপরীতে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রায় আনা আয়কে ২০৩০ সাল পর্যন্ত করমুক্ত করার প্রস্তাব করছি। এসব প্রস্তাব গৃহীত হলে সেবা রফতানি খাতকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’ সরকারি সুবিধা বাড়ায় বাংলাদেশী পতাকাবাহী জাহাজের সংখ্যা দুই বছরের ব্যবধানে ৩৩ থেকে ৮১টিতে উন্নীত হয়েছে।
এসসিবির চেয়ারম্যান বলেন, বাজেটে মোট ব্যয় ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, মোট আয় ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা এবং ঘাটতি ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। পরিচালন ব্যয় ৪ লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেয়া হবে। ঘাটতি মোকাবেলায় ক্রমবর্ধমান ঋণের ক্ষেত্রে সরকারের সচেতন হওয়া উচিত।
শিপার্স কাউন্সিল আরো জানায়, ব্যাংক সুদের উৎসেকরহার কোম্পানি করদাতার জন্য ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ করা এবং রফতানীকৃত পণ্যদ্রব্যের উৎসেকর দশমিক ৫ শতাংশের পরিবর্তে ১ শতাংশ করা হয়েছে, যা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে।



