ডেসটিনির ভাইস প্রেসিডেন্টসহ চারজন কারাগারে
মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খানসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
অন্য তিনজন হলেন, ডেসটিনি গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেস্ট অ্যাভিয়েশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মোল্লা আল আমিন, হেড অব ফাইন্যান্স কাজী মোহাম্মদ ফজলুর করিম ও সুনীল বরণ কর্মকার। সবাই মামলাটিতে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত।
আজ বুধবার ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে আপীলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক শেখ নাজমুল আলম শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
অন্য আসামিদের মধ্যে সুনীল বরণ কর্মকারকে ৮ বছর কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা, কাজী মোহাম্মদ ফজলুর করিমের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ জরিমানা এবং মোল্লা আল আমিনের চার বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ জরিমানার আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গত ১২ জুন ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের স্ত্রী মিসেস ফারাহ দীবা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১২ মে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং আইনের এক মামলায় এমডি রফিকুল আমিনসহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন আদালত। পাশাপাশি আসামিদের ২৩শ কোটি টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রায় ঘোষণার সময় ৪৬ আসামির মধ্যে ৩৯ আসামি পলাতক ছিলেন। যার মধ্যে ৫ জন আত্মসমর্পণ করলেন। মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।


