শিরোনাম
icon কারখানা চালু রাখা ও নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ icon দুই শিল্পাঞ্চলে ২৭৭ কারখানা বন্ধ icon ৪ দিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে icon অক্টোবরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা icon ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১৯২৯ icon লেনদেনের শীর্ষে মতিন স্পিনিং মিলস icon সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা icon গার্ডিয়ান লাইফের ৫০ কর্মকর্তাকে বিআইপিডির প্রশিক্ষণ প্রদান icon পতনে শুরু শেয়ারবাজারের সপ্তাহ icon ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রে*প্তা*র ৫০৫ জন icon এলডিসি ছাড়ে বাড়তি সময়, কৃতিত্ব দেখানোর পালা: সিপিডি icon ৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো icon লোকসানে ইসলামী ব্যাংক icon প্রিমিয়ার ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon পিপলস ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠন icon হ্যালোইনে ভিন্ন রূপে অপু বিশ্বাস icon সিএফও নিয়োগ নিয়ে ৩ নভেম্বর বিআইএ’র বৈঠক icon গাজীপুর-মিরপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, যানজটে দুর্ভোগ icon ঢাকায় ৬ রুটে পরীক্ষামূলক বাস চালু icon পর্যটকদের জন্য খুললো সেন্টমার্টিন icon ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon এবি ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon সাউথইস্ট ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
down of head

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে ভিড়

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট অব্যাহত রয়েছে। আবাসিক গ্রাহক, সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানা-খাতেই গ্যাসের স্বল্পচাপে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় গ্যাসের চাপ না থাকায় বাসাবাড়িতে রান্না করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, রামপুরা, বাড্ডা, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক চুলায় গ্যাসের চাপ এতটাই কম ছিল যে একটি খাবার রান্না করতেই কয়েক ঘণ্টা সময় লেগেছে। অনেক পরিবার সকালে রান্না করতে না পেরে গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করছে। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক হিটার, রাইস কুকার কিংবা এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। এতে একদিকে সংসারের ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের ওপরও অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

বাড্ডার বাসিন্দা নাজু বলেন, গ্যাসের চাপ একেবারেই কম। যে পরিমাণ গ্যাস আসে, তাতে রান্না করা খুব কষ্ট হয়ে যায়।

গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও। রাজধানীর অনেক স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ বা সীমিত আকারে চলছে। যেসব স্টেশনে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ভোর থেকেই দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন চালকরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই গ্যাস নিতে পারছেন না।

লালবাগে কথা হয় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক আজিমের সঙ্গে। তিনি বলেন, পাম্পে গ্যাস পাই না। সিরিয়ালে বসে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। গ্যাস নিতেই দিনের অধিকাংশ সময় পার হয়ে যায়। এতে আয় অনেক কমে গেছে।

শিল্পাঞ্চলগুলোতেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। গ্যাসচাপ কম থাকায় অনেক কারখানায় বয়লার চালানো যাচ্ছে না। কোথাও উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে, আবার কোথাও সীমিত সক্ষমতায় উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন এ অবস্থা চলতে থাকলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি আদেশ সময়মতো সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়বে।

তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে চলমান সংকট আরও তীব্র হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ অবস্থায় আবাসিক, পরিবহন ও শিল্প-তিন খাতেই ভোগান্তি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর