শিরোনাম
icon ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র icon যুক্তরাষ্ট্রের গম কিনতে দুই প্রতিষ্ঠানের দরপ্রস্তাব icon এক কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার icon নাচের ভিডিওতে পরীমনির সঙ্গে কে? icon ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী icon পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা icon ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৯৮২ icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
down of head

খোলা বাজারে ডলারের দাম ৯৩ ছুঁই ছুঁই

মূল্যবৃদ্ধির অস্থিরতায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ডলারের দাম। অস্বাভাবিক আমদানি ব্যয়ের চাপে বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর খোলা বাজারে যোগান ও চাহিদায় বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। ফলে খোলাবাজারেও প্রতি ডলার কিনতে হচ্ছে প্রায় ৯২ থেকে ৯৩ টাকা দিয়ে। এতে বিপাকে পড়ছেন বিদেশগামী যাত্রীরা।

সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এ হার ব্যাংকভেদে ৮৫ টাকা ৫০ পয়সায় কেনা ও বিক্রি ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা। তবে খোলা বাজার ও নগদ মূল্যে ডলার ৯১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৯৩ টাকা পর্যন্ত কেনাবেচা হচ্ছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সময় মানুষ দেশের বাইরে যাননি। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় অনেক মানুষ চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ যাচ্ছেন। অনেকেই আবার দেশের বাইরে ঘুরতেও যাচ্ছেন। এসব কারণে ডলারের চাহিদা বেড়েছে অনেক। চাহিদার অনুপাতে সরবরাহ কম থাকায় দামও বেড়ে গেছে। তবে খোলা বাজারে সবচেয়ে বেশি বাড়ে রমজান মাসে। অনেকে ওমরাহ করতে গিয়েছিলেন আর সেই সুযোগ নিয়েছিলেন খোলা বাজারের বিক্রেতারা।

ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই পর্যটনখাত চাঙ্গা হতে শুরু করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সীমান্ত খুলেছে। মানুষের পেশাগত কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করছেন। এর প্রভাব পড়ছে দেশের খোলা বাজারের ডলারের দামে।

আর এক্সচেঞ্জ হাউস ও খোলা বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, মানুষ এখন ডলার বিক্রি করতে আসছেন না। যারা আসছেন তারা শুধু কেনার জন্যই। এই কারণে দাম বাড়ছে ডলারের।

মতিঝিল ইউনুস সেন্টার এলাকায় খোলা বাজারের ডলার কিনতে এসেছেন অনেকে। এর মধ্যে আসাদ নামে একজন বলেন, আমি ব্যাঙ্গালুরে চিকিৎসার যাবো। এখানে ডলার প্রতি ৯২ টাকা ৭০ পয়সা ধরেছে। সবাই বলছে ডলার নেই, একই দাম। আমার জরুরি প্রয়োজনে বাধ্য হয়েই কিনতে হলো।

অপর ক্রেতা হামিদ আক্তার বলেন, ব্যাংকে ডলার কিনতে গেলে নানা ডকুমেন্টের প্রয়োজন পড়ে। সেখানে (ব্যাংক) কম রেটে পাওয়া যাচ্ছে কিন্তু সব কাগজ সঙ্গে আনা হয়নি তাই খোলা বাজারই আমার ভরসা। দাম বেশি হলেও নিতে হলো এখান থেকে।

রিপন হাসান নামে খোলা বাজারের এক ডলার বিক্রেতা জানান, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই ডলারের ক্রেতা বেড়েছে, বিক্রেতা বাড়েনি। এখন সবাই ডলার কিনতে আসছেন, বিক্রি করতে আসছেন না। স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতা বেশি হলে সংকট হয়, তাই দামও বেড়েছে কিছুটা।

সম্পর্কিত খবর