শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার
এবার ভূমিকম্পে কাঁপল মিয়ানমার

জাপানের পর এবার মায়ানমারে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১:২১ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৩.৭।

এর একদিন আগে, সোমবার ৩.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে মিয়ানমারে। ওই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। এরপরই আফটারশকের ঝুঁকি ছিল। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অগভীর ভূমিকম্প সাধারণত বেশি ভয়াবহ হতে পারে, কারণ ভূ–কম্পন তরঙ্গের পৃষ্ঠে পৌঁছাতে কম সময় লাগে এবং এতে কম্পনের তীব্রতা বেড়ে যায়। ফলে ভবন, অবকাঠামো ও মানুষের ওপর ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ে।

ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার অন্যতম। দেশটি চারটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট—ভারতীয়, ইউরেশীয়, সুন্ডা ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি। প্রায় ১৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ট্রান্সফর্ম ফল্ট রেখা অ্যান্ডামান স্প্রেডিং সেন্টার থেকে উত্তরের সংঘর্ষ অঞ্চলের দিকে বিস্তৃত হয়ে তৈরি করেছে সাগাইং ফল্ট।

এএনআই জানায়, এই সাগাইং ফল্টই মিয়ানমারের সাগাইং, মান্দালে, বাগো ও ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের ভূমিকম্প ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এই চার অঞ্চলে মিয়ানমারের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ বসবাস করে। যদিও ইয়াঙ্গুন ফল্ট লাইনের থেকে তুলনামূলক দূরে, তবুও ঘনবসতির কারণে ঝুঁকি অনেক বেশি। ১৯০৩ সালে বাগোতে আঘাত হানা ৭.০ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ইয়াঙ্গুনেও বড় ধরনের ক্ষতি করেছিল।

এর আগে চলতি বছরের মার্চে ৭.৭ এবং ৬.৪ মাত্রার দুটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে মধ্য মিয়ানমারের বিশাল অঞ্চল বিধ্বস্ত হয়। মঙ্গলবারের ভূমিকম্পটির তীব্রতা কম হলেও ধারাবাহিক কম্পনের কারণে মিয়ানমারে জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে বলে স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এদিকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে জাপানের পূর্ব আওমোরি উপকূলের কাছে ৭.৬ মাত্রা শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এদিন স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১১টা ১৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পর আওমোরি, ইওয়াতে ও হোক্কাইডোর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয় বলে জানায় জাপানের গণমাধ্যম। জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এবং এর মাত্রা ছিল আনুমানিক ৭.৬।

সূত্র: এএনআই।

সম্পর্কিত খবর