শিরোনাম
icon আস্থা লাইফের ২৮ লাখ টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি icon প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের ৫ লাখ টাকার মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর icon রমজানের আগে নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি বৃদ্ধি icon জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকে নতুন এমডি icon ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮ icon লেনদেনের শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক icon হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু icon ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon মনোস্পুল পেপারের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon মাগুরা মাল্টিপ্লেক্সের বোর্ড সভা ৯ নভেম্বর icon ৯৯৯ টাকা দেনমোহরে সুজাত শিমুলের বিয়ে icon ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon এমটিবি’র ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন icon জন্মদিনের ভিডিওতে অবাক ভক্তরা icon জাপানের ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ বাংলাদেশে icon ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২ icon চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
down of head

একদিনেই প্রায় ১৭০০ পয়েন্ট হারিয়েছে সেনসেক্স

বিশ্বব্যাপী নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া নভেল করোনাভাইরাসের নতুন একটি ধরন। বিনিয়োগকারীদের যা আতঙ্কিত করছে। এরই মধ্যে যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে। গতকাল ভারতের সেনসেক্স ও নিফটির সূচকে বড় পতন হয়েছে। দুটি সূচকই গতকাল প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে সেনসেক্স সূচক একদিনেই প্রায় ১ হাজার ৭০০ পয়েন্ট হারিয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা (প্যানিক সেলিং) দেখা যায়। ফলে প্রথম থেকেই সেনসেক্স সূচকে দ্রুত পতন শুরু হয়। মাঝে সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হলেও শেষ পর্যন্ত নিম্নমুখিতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়। ১ হাজার ৬৮৭ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট হারিয়ে দিনশেষে সূচকটি ৫৭ হাজার ১০৭ দশমিক ১৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এক দিনেই সূচকটি কমে ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

গতকাল সেনসেক্স সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ইন্ডাসইন্ড ব্যাংক। সূচকের মোট পতনের ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশই হয়েছে ব্যাংকটির কারণে। এছাড়া সূচকে পতনে বড় ভূমিকা রয়েছে মারুতি, টাটা স্টিল, এনটিপিসি, বাজাজ ফাইন্যান্স ও এইচডিএফসির মতো শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর।

গত ১৯ অক্টোবর সেনসেক্স রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছে। ওই দিন সূচকটি ৬২ হাজার ২৪৫ পয়েন্টে ওঠে। কিন্তু এর পর থেকেই সূচকটি পয়েন্ট হারাতে থাকে। ওই সময়ের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত ৫ হাজার পয়েন্ট হারিয়েছে সূচক।

এদিকে গতকাল নিফটি সূচক ৫১০ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে ১৭ হাজার ২৬ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে লেনদেন শেষ করে। এ দুটি সূচকের পাশাপাশি এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান প্রধান সূচকও গতকাল কমেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন এ ধরন সম্পর্কে এখন পর্যন্ত বেশি কিছু জানা যায়নি। তবে এটি এরই মধ্যে বতসোয়ানা, ইসরায়েল ও হংকংয়ে শনাক্ত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন এ ধরন আগের যেকোনো ধরনের চেয়ে শক্তিশালী এবং এটি দ্রুত ইমিউনিটি শক্তি নষ্ট করে দিতে সক্ষম। ফলে নতুন এ ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে দেশে আবার কঠোর বিধিনিষেধ আসতে পারে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে পুনরুদ্ধার গতি ফিরছিল সেটি আবারো চাপে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

এদিকে করোনার নতুন ধরনের কারণে সম্ভাব্য বিধিনিষেধ বৃদ্ধির আশঙ্কায় ইউরোপীয় পুঁজিবাজার ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের পর যা সর্বোচ্চ। জার্মানির ডিএএক্স সূচক কমেছে ৩ শতাংশ ও ব্রিটেনের এফটিএসই ১০০ সূচক কমেছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।

ইউরোপের পাশাপাশি গতকাল এশিয়ার বেশির ভাগ সূচকই কমেছে। এর মধ্যে হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক কমেছে ৬৫৯ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জাপানের নিক্কেই ২২৫ কমেছে ৭৪৭ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ। চীনের সাংহাই সূচক কমেছে ২০ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৬ শতাংশ।

সম্পর্কিত খবর