উৎসে কর দশমিক ২৫ শতাংশ চায় বিএফএফইএ
হিমায়িত খাদ্যদ্রব্যের রফতানির ওপর উৎসে করের পরিমাণ দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ)। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় এমনটা জানায় সংগঠনটি।
এবারের বাজেটে রফতানি খাতের ওপর উৎসে করের পরিমাণ ১০০ শতাংশ বাড়িয়ে ১ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে রফতানি খাতে উৎসে করের পরিমাণ ছিল দশমিক ৫ শতাংশ। বিএফএফইএ জানায়, হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রফতানি খাতটি গত এক দশক বিভিন্ন আওতাবহির্ভূত কারণে লোকসানের মধ্য দিয়ে তাদের রফতানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে হিমায়িত খাদ্যদ্রব্য রফতানির ওপর উৎসে কর ১ শতাংশ নির্ধারণ করা যুক্তিসংগত নয়।
বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিএফএফইএ আরো জানায়, বর্তমানে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে ইউরোপসহ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দা অবস্থা বিরাজ করছে। বিশ্ববাজারে চিংড়ির দাম প্রতি কেজিতে প্রায় ২ ডলার পর্যন্ত কমে এসেছে। এছাড়া ভেনামি জাতের চিংড়ির সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি রফতানি কার্যক্রম ঠিকভাবে পরিচালনা করা অসাধ্য হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে অন্য কৃষিপণ্যের মতো চিংড়ি ও অন্য মাছে নগদ সহায়তার পরিমাণ যথাক্রমে ১০ শতাংশ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানায় বিএফএফইএ।
সংগঠনটি জানায়, হিমায়িত খাদ্য রফতানিতে নগদ সহায়তার ওপর ১০ শতাংশ আয়কর কর্তন সম্পূর্ণ বাতিল করা প্রয়োজন।



