শিরোনাম
icon গোলাপি আভায় জয়া আহসান icon জাপানে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত icon রোমানিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন icon বিমানের রিয়াদ-দাম্মাম ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ icon ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ২,২৪৯ icon ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন icon গোলাপি জার্সিতে পাকিস্তান icon কম দামে এলএনজি কিনবে সরকার icon সূচকের পতন, লেনদেন ৪৩০ কোটি টাকা icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর
down of head

ঈদের ছুটিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১২ নির্দেশনা

অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং জরুরি বিভাগ ও লেবার রুমে সার্বক্ষণিক ডাক্তারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

এ বছর শবে কদর, ঈদ-উল-ফিতর, বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) ও সাপ্তাহিক বন্ধের কারণে দীর্ঘ ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এই ছুটিকালীন সময়ে হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সেবা কীভাবে চলবে, সে বিষয়ে সকল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য, সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমর্কর্তাদের ১২টি নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

রোববার ডা. আবু হোসাইন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, ছুটিকালীন কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে জনবলকে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া যেতে পারে।

এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিরবিচ্ছিন্ন জরুরী চিকিৎসা কার্যক্রম ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অনুকূলিত ভাবে ছুটি মঞ্জুর করবেন।

সিভিল সার্জন, বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে কেবল ঈদের ছুটির সময়ে নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয় করতে পারবেন।

জরুরী বিভাগে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জরুরী বিভাগ ও লেবার রুম, ইমারজেন্সি ওটি সার্বক্ষণিক চালু রাখতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, আন্তঃবিভাগে ইউনিট প্রধানগণ প্রতিদিন তদারকি করবেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সমূহে জরুরী ল্যাব, এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

ছুটি শুরু হওয়ার আগেই ছুটিকালীন সময়ের জন্য পর্যাপ্ত ঔষধ, আই ডি ফ্লুয়িড কেমিক্যাল রি-এজেন্ট, সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুদ ও তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্টোর কিপার অথবা ছুটিকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফকে অবশ্যই নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

একইসঙ্গে, অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

ছুটিকালীন হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগাম পত্র দিতে হবে।

প্রতিষ্ঠান প্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদেরকে ছুটিকালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান প্রধান ছুটি নিলে অবশ্যই বিধি মোতাবেক কাউকে দায়িত্ব দিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে; একইসঙ্গে দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

এছাড়া, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ঈদের দিন রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন তদারকি এবং রোগীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এন এস

সম্পর্কিত খবর