শিরোনাম
icon আজও সূচক ও লেনদেনের পতন icon কোটি কোটি টাকা লুট সোনার বাংলায়, কারাগারে খালেক icon রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের icon নামসর্বস্ব আমদানি-রপ্তানিতে ১০২ কোটি টাকা ফাঁকি icon ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদে আইডিআরএর পর্যবেক্ষক নিয়োগ icon হাওয়েল টেক্সটাইলের বোর্ড সভা ৫ নভেম্বর icon নাহি অ্যালুমিনিয়ামের বোর্ড সভা ৪ নভেম্বর icon পাওয়ার গ্রীডের বোর্ড সভা ৮ নভেম্বর icon ডরিন পাওয়ারের বোর্ড সভা ৫ নভেম্বর icon ডেসকোর বোর্ড সভা ৫ নভেম্বর icon মিশ্র সূচকে এক ঘণ্টায় লেনদেন ১২৮ কোটি টাকা icon বাড়লো সোনার দাম icon তাপপ্রবাহে বছরে ক্ষতি ১৭.৫ বিলিয়ন ডলার icon পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে, কমেছে আলু-গম icon কিউআর কোডে সরাসরি টাকা পাঠানোর সুযোগ icon টানা তিন মাস পোশাক রপ্তানি বাড়লো icon প্রাইজ বন্ডে মিলল ৬ লাখ টাকার বিজয়ী icon কারখানা চালু রাখা ও নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ icon দুই শিল্পাঞ্চলে ২৭৭ কারখানা বন্ধ icon ৪ দিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে icon অক্টোবরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা icon ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১৯২৯ icon লেনদেনের শীর্ষে মতিন স্পিনিং মিলস icon সেন্ট্রাল শরীয়াহ কাউন্সিলের বার্ষিক সাধারণ সভা icon গার্ডিয়ান লাইফের ৫০ কর্মকর্তাকে বিআইপিডির প্রশিক্ষণ প্রদান
down of head

ইউনাইটেডের গ্যাস বিল অনিয়মে প্রাথমিক সত্যতা

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে গ্যাস বিল বাবদ ৯৮১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাপাসিটি রেটের পরিবর্তে অনিয়মের মাধ্যমে আইপিপি রেটের সুবিধা নিয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পাওনা অর্থ পরিশোধ করা হয়নি।

দুদকের উপপরিচালক (বিঃ অনুঃ ও তদন্ত-১) মো. জাহাঙ্গীর আলম আদালতে জমা দেওয়া অনুসন্ধান অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিতাস গ্যাসের ক্ষেত্রে জানুয়ারি ২০১৮ থেকে মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের গ্যাস বিল বাবদ ৪৮৬ কোটি ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ৬১১ টাকা এবং কর্ণফুলী গ্যাসের ক্ষেত্রে অক্টোবর ২০১৮ থেকে নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৪৯৫ কোটি ২৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪০৪ টাকা পরিশোধ করা হয়নি। সব মিলিয়ে অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৮১ কোটি ৬৭ লাখ ৮০ হাজার ১৫ টাকা।

দুদক জানায়, ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উদ্দিন হাসান রশিদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বিদেশে অর্থ পাচার, সরকারি সম্পত্তি দখল এবং গ্যাস সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এর আগে ইউনাইটেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা, চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈন উদ্দিন হাসান রশিদ এবং নেপচুন হাউজিংয়ের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

দুদক জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর