আবার কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি সিএইচসিপিদের
আবারও কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার সিএইচসিপি’রা। চাকুরী রাজ্স্ব করণ এবং ৮ সিএইচসিপির সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে চাকরি রাজস্বকারণের দাবী নিয়ে টানা ৩৭ দিন আন্দোলন করেন সিএইচসিপিরা।
৬ মার্চ শুক্রবার দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সিএইচসিপিদের নেতৃত্বে গঠিত দাবি আদায় বাস্তবায়ন কমিটি। এসময় বাংলাদেশ হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনে যুগ্ম মহাসচিব আফজাল শরীফ, রায়হান আলী, মাসুদুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএইচসিপিএ) নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সিএইচসিপিদের চাকরি রাজস্বকারণের দাবী নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়। এতে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ ১৩ হাজার ৮৭৩ জন অংশগ্রহণ করে।
একই বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে টানা ৩৭ দিন পর আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়।
সে সময় আন্দোলনজনিত কারণে কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকায় সব সিএইচসিপির জন্য রাষ্ট্রপতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। সে সময় ৮ সহকর্মী সিএইচসিপিকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু বিগত দুই বছরেও ওই ৮ সিএইচসিপির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ৮ সিএইচসিপি সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে সিএইচসিপিদের চাকরি রাজস্বকরণের ঘোষণা দিতে হবে। তা না দিলে আগামী ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকের অনলাইন ও হার্ডকপি রিপোর্টিং বন্ধসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে ওই ৮ সিএইচসিপির সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কমিউনিটি স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বোর্ডের সভাপতি ও সিবি এইচপি লাইন ডিরেক্টরের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা আশা করি, মুজিববর্ষ উপলক্ষে কমিউনিটি প্রধানমন্ত্রী ওই ৮ সিএইচসিপির সামরিক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে আমাদের চাকরি রাজস্বকরণের ঘোষণা দেবেন।
সিএইসিপিদের দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আগামী ২৯ মার্চ সব জেলার সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ এবং ১ এপ্রিল থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের সবল কার্যক্রম বন্ধ’র ঘোষনা দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।


