আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করেছে: মির্জা ফখরুল
ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক:বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কে বিকৃত করেছে, এবং পরিকল্পিতভাবে করছে। তারা আজ মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে আজ অস্বীকার করছে,এই সবকিছুই করছে চিরস্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার ইনিস্টিউটে ‘উত্তাল মার্চ ১৯৭১’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার আজ জোর করে আমাদের বুকের উপর বসে আছে, আজ যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছে লড়াই করছে তাদের কে হত্যা করছে, নির্যাতন করছে, ইতোমধ্যে ৩৫ লাখ মামলা দেয়া হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপরে, ৬০০ নেতা কর্মী গুম-খুন করেছে আওয়ামীলীগ,এটা সরাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ পাকিস্তানী আর আওয়ামী লীগের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? মুক্তিযুদ্ধের আগে পাকিস্তানীরা যা করেছে, বর্তমানে আওয়ামীলীগও তাই করছে, দ্রব্যমূল্য মূল্য নিয়ে দেশে সংকট তৈরি হয়েছে, আগামীতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করে এই সরকারকে বিদায় করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি করবো,দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্টা করবো।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার, দিনের ভোটে করার সরকার। আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু ধ্বংস করেছে, এই আওয়ামী লীগ রক্ষী বাহিনী দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, এই আওয়ামী লীগ আজ র্যাব দিয়ে ৬০০ মানুষকে হত্যা করেছে।
জেএসডি(রব) এর সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, আজ প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের অপমান করা হচ্ছে, আর সরকার বর্তমান মন্ত্রী তৎকালীন ৮ বছরের শিশুকে মুক্তি যুদ্ধের সার্টিফিকেট দেয়া হচ্ছে, কিন্তু এই সব করেও বর্তমান স্বৈরাচারী সরকার পার পাবে না, তাদের পতন হবে,পতন করতে হবে।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জিয়াউর রহমানই উত্তাল মার্চে জনগণের কাতারে এসে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। এই সরকার মিথ্যুক-প্রতারক সরকার,দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি কারণে জনগণের আজ দুর্দশা, মানুষ আজ টিসিবি গাড়ির পিছনে দৌড়াচ্ছে, অথচ মিথ্যুক আওয়ামী লীগ বলছে জনগণের নাকি তিন গুণ ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, বীর উত্তম বলেন, ৭১ উত্তাল মার্চে মেজর জিয়াউর রহমানই নেতৃত্ববিহীন জাতিকে তুর্জ ধ্বনি দিয়ে যুদ্ধে জাগিয়ে ছিল, আর আওয়ামী লীগ তখন ভারতে পালিয়ে ছিল, তাই আওয়ামী হলো মূলত শরণার্থীদের দল,তারাই শরণার্থী হয়ে ভাতা পেতেন, আমরা ছিলাম তখন বাংলাদেশের রণাঙ্গনে।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ( অবঃ) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বীর প্রতীক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সামরিক -বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাদের একত্রিত করেছে মেজর জিয়াউর রহমান।,
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান(জাফর),মোস্তফা জামাল হায়দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম প্রমুখ।


