সরবরাহ সংকটে ঊর্ধ্বমুখী ভারতীয় চালের রফতানি মূল্য
ভারতীয় চালের রফতানি মূল্য বেড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তবে এশিয়ার প্রধান চাল রফতানিকারক দেশগুলোয় বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটি উপলক্ষে রফতানি কার্যক্রম কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়তে পারে।
ওলাম ইন্টারন্যাশনালের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিতিন গুপ্ত বলেন, চাল রফতানিতে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশ ভারত। দেশটির ৫ শতাংশ ভাঙা সেদ্ধ চালের দাম বেড়ে টনপ্রতি ৩৫৫-৩৬০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। গত সপ্তাহে রফতানি মূল্য ছিল ৩৫১-৩৫৬ ডলার। বর্তমানে চাল ভাঙাতে বেশি সময় লাগছে। এ কারণে সরবরাহ সীমিত। তবে বড়দিন ও নববর্ষের ছুটির কারণে আমদানি চাহিদাও কম। রফতানিকারকরা বর্তমানে নতুন করে চুক্তির তুলনায় পুরনো চুক্তির আওতায় চাল সরবরাহে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছর ভারতে কৃষিপণ্যটির রফতানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামী বছর রফতানিতে মন্দাভাব দেখা দিতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ বিশ্বের শীর্ষ চাল উৎপাদক দেশগুলোয় চলতি বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন বাড়বে প্রতিযোগিতা, অন্যদিকে কমবে আমদানির ব্যবধান। এ কারণে চলতি বছরের তুলনায় চাল রফতানির পরিমাণ কমে আসবে।
ভারতের রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বি ভি কৃষ্ণ রাও বলেন, বেশির ভাগ চাল উৎপাদনসমৃদ্ধ দেশ মহামারীর দুর্দশা কাটিয়ে উঠেছে। খরা ও শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাবও কমছে। উন্নয়ন ঘটছে অবকাঠামো খাতে। এসবের মানে হলো, ভারতীয় চালের ওপর দেশগুলোর নির্ভরতা কমে আসবে।


