আয় বেড়েছে স্কয়ার সামিট কনফিডেন্স ইফাদ ডেসকো ও সি পার্লের

চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের বেশকিছু কোম্পানি। এর মধ্যে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, স্কয়ার টেক্সটাইলস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, ডেসকো ও সি পার্ল বিচ রিসোর্টস অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে।

প্রথমার্ধে স্কয়ার ফার্মার সমন্বিত নিট আয় হয়েছে ২ হাজার ৯০৭ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে নিট আয় ছিল ২ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ৮৬৮ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ৭২৮ কোটি টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৮৮ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৮ টাকা ৭৬ পয়সা।

স্কয়ার টেক্সটাইলসের আয় চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ৭৯৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৫৪৫ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৯২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ১৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৬৮ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৭৯ পয়সা।

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের সমন্বিত আয় হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে সমন্বিত আয় ছিল ৮৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এ সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৫ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে আয় ছিল ৪১ পয়সা।

প্রথমার্ধে কনফিডেন্স সিমেন্টের আয় হয়েছে ১৮৪ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে বিক্রি ছিল ১৭৮ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ৫১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৭৭ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৯৬ পয়সা।

প্রথমার্ধে ইফাদ অটোসের আয় হয়েছে ৪১৩ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে বিক্রি ছিল ৪১২ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ৪১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৭ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬৬ পয়সা।

প্রথমার্ধে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) নিট আয় হয়েছে ২ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির নিট আয় ছিল ২ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ২০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩১ পয়সা।

প্রথমার্ধে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পার পরিচালন আয় হয়েছে ৫২ কোটি ১০ লাখ টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির আয় ছিল ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে নিট মুনাফা ছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭২ পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬০ পয়সা।