শিরোনাম
সূচক বাড়ল, লেনদেন ৫৩৩ কোটি টাকাডলার পতনে বেড়েছে স্বর্ণের দামব্রাজিল ছয়ে, পর্তুগাল উঠল পাঁচে২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, চড়া ইলিশের দামবৈদেশিক ঋণের টাকা এফসি হিসাবে রাখার সুযোগসেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, ভর্তি ১,৮৬০দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারিইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বাড়াতে চায় বাংলাদেশবিডি ল্যাম্পসের বোর্ড সভা ১৪ অক্টোবরসূচকের উত্থানে চলছে লেনদেনওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডের বোর্ড সভা ১৫ অক্টোবরকোটি টাকা ইস্যুতে আসলামের নিয়োগ বাতিল!বীমা দাবির চেক দিয়েছে এনআরবি লাইফডিজিটাল প্রতারণা শনাক্তে এআই ব্যবহারের ওপর জোর ডিএসই চেয়ারম্যানের
down of head

পিকেএসএফ-এডিবির ঋণ চুক্তি

বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আবাসন নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল করতে ১০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মাধ্যমে পরিচালিত ‘ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পটির আওতায় সরাসরি উপকৃত হবে দেশের প্রায় ৪০ হাজার পরিবার। ২০৩১ সাল মেয়াদি এ প্রকল্পে প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হবে নারী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দাদের আবাসন নিরাপত্তায়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানায়। এডিবির সঙ্গে সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ঋণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে পিকেএসএফ-এর পক্ষে সংস্থার সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক ড. একেএম নুরুজ্জামান প্রকল্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উভয় চুক্তিতে এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

পিকেএসএফ জানায়, বরাদ্দ করা এ ঋণের অর্থ কেবল নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রেই নয়, বরং বিদ্যমান পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সার্বিক মেরামত ও মানোন্নয়নেও ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা। মূলত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা কিংবা ঋণ সুবিধা প্রাপ্তিতে নানা জটিলতার মুখে পড়া স্বল্প ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই আবাসন অর্থায়ন নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ করে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও অতিরিক্ত উত্তাপের মতো বৈরী আবহাওয়া ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দারা যাতে দীর্ঘমেয়াদে আবাসন সুরক্ষা পান, সেজন্য বাড়ির নকশা ও নির্মাণকাজে প্রযুক্তিগত সহনশীলতার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম এমন ঘর নির্মাণ করার ফলে দুর্যোগে এসব অঞ্চলের মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কমে আসবে।

সম্পর্কিত খবর