এইমস বাংলাদেশের নতুন এমডি জাহিদুস সালাম মিয়া
দেশের প্রথম বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান অ্যাসেট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (এইমস) অব বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা স্পন্সর পরিচালক জাহিদুস সালাম মিয়া। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
জাহিদুস সালাম মিয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত ইয়াওয়ার সায়ীদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। গত ১৩ জুন ২০২৬ তিনি মারা যান। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড শিল্পের বিকাশে ইয়াওয়ার সায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
জাহিদুস সালাম মিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক শিল্পে তাঁর প্রায় চার দশকের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই) থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি) সনদ অর্জন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প সফলভাবে পরিচালনা করেছেন। তাঁর শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ।
এইমস অব বাংলাদেশের নতুন এমডি হিসেবে জাহিদুস সালাম মিয়ার নিয়োগে প্রতিষ্ঠানটির নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বাজার ও বিনিয়োগ সম্পর্কে অর্জিত জ্ঞান প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এইমস অব বাংলাদেশ দেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতের অন্যতম অগ্রণী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ক্লোজড-এন্ড বা মেয়াদি এবং ওপেন-এন্ড বা বেমেয়াদি দুই ধরনের মিউচ্যুয়াল ফান্ড পরিচালনা করছে।
মেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ ওয়ান: স্কিম টু এবং রিলায়েন্স ওয়ান। উভয় ফান্ডই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত।
অন্যদিকে, ওপেন-এন্ড বা বেমেয়াদি মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছে গ্রামীণ ব্যাংক-এইমস ফার্স্ট ইউনিট ফান্ড।
গ্রামীণ ব্যাংকের স্পনসরশিপে এবং এইমসের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এ ফান্ডের অন্যতম লক্ষ্য হলো দেশের ক্ষুদ্র ও মধ্যম আয়ের সঞ্চয়কারীদের জন্য নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্যও রয়েছে।



