down of head

নিট ফেব্রিকস আমদানি নিষেধাজ্ঞা বাতিলের দাবি

তৈরি পোশাক শিল্পের অব্যাহত অগ্রগতি ও রপ্তানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার স্বার্থে ‘নিট ফেব্রিকস আমদানি করা যাবে না’ সংক্রান্ত আমদানিনীতি নীতিমালার শর্ত স্থগিত বা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এমন দাবি জানিয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। গত ৩ সেপ্টেম্বর দেওয়া চিঠির সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বিকেএমইএ জানায়, গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘আমদানি নীতি ২০২৬-২০২৯’ প্রকাশ করে। ওই নীতির ধারা-২৫ এ ‘শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কাঁচামাল ও অন্যান্য উপকরণ আমদানির শর্তাবলি’ উপধারায়-১২ যুক্ত করে উল্লেখ করা হয়েছে ‘নিট ফেব্রিকস আমদানি যোগ্য হবে না’। বিষয়টি নিয়ে এর আগে অংশীজনদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচনা করা হয়েছিল। সে সময় সংশ্লিষ্ট বিধানটি ভুলক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে জানানো হয় এবং সংশোধনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চূড়ান্ত প্রকাশিত আমদানি নীতি উপধারা-১২ এ বিধানটি বহাল রাখা হয়েছে, যা হতাশাজনক।

সংগঠনটি আরও জানায়, রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ক্রেতাদের নির্দেশ অনুযায়ী দেশি ও বিদেশি উভয় উৎস থেকেই কাঁচামাল সংগ্রহ করতে হয়। বর্তমানে দেশে তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নিটওয়্যার শিল্প ও ফেব্রিকস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা, নির্ধারিত মান, ডিজাইন এবং পণ্যের বৈচিত্র্য বজায় রাখতে রপ্তানিকারকদের প্রায়শই বিদেশ থেকে ফেব্রিকস আমদানি করতে হয়। এরইমধ্যে আগে খোলা ঋণপত্রের ভিত্তিতে আমদানি করা ফেব্রিকসের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে এবং অনেক রপ্তানিকারকের এলসি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এই অবস্থায় নতুন আমদানি নীতির কারণে বন্দরের কাঁচামাল খালাস কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সময়মতো রপ্তানি অর্ডার সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না এবং সার্বিক রপ্তানি বাণিজ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সর্বশেষ দেশের শতভাগ রপ্তানিমুখী নিট পোশাক শিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানি ধারা অব্যাহত রাখতে নীতিমালার ওই শর্তটি দ্রুত স্থগিত বা পুরোপুরি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে বিকেএমইএ।

সম্পর্কিত খবর